সংস্কৃতি ও নয়া বিশ্বব্যবস্থার কথা

মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া,খাগড়াছড়ি

সংস্কৃতি কি?সংস্কৃতি হল, মানুষের জীবন আচার।অর্থাৎ মানুষ যা করে,তার পরিবার যা করে,রাজনীতি,অর্থনীতি, সামাজিকতা প্রভৃতিতে যে আচার বা জীবন পদ্ধতি মানুষ মেনে চলে,তাই সংস্কৃতি।এ জনপদে বহু জাতি,বহু ধর্ম,বহু বর্ণের সামাজিক রীতিনীতি বিদ্যমান আছে,বিদ্যমান সকল রীতিনীতি স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রত্যেক জাতির জীবনাচার তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি।

“সংস্কৃতি আইনের চেয়ে শক্তিশালী”।সংস্কৃতির মাধ্যমে আমরা সহজেই মানুষের বা গোষ্টির গভীরে প্রবেশ করতে পারি।সংস্কৃতিকে মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত করতেই হবে।কেননা মানব কল্যাণী সংস্কৃতি মানুষের চরিত্র গঠনে একমাত্র ভূমিকা পালন করে থাকে।তাই আমাদের পরিবর্তিত সংস্কৃতি হবে ইতিবাচক, নীতিবাচকতা নয়।

সংস্কৃতি যেহেতু রাজনীতি অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনা চার সম্পর্কিত এবং সংস্কৃতি যেহেতু আইনের চেয়ে শক্তিশালী;সেহেতু নয়া বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় আমাদের সাম্য ও ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তাহলে নয়া বিশ্বব্যবস্থা কি?হান্টিংটন মনে করেন,সভ্যতার দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়েই নয়া বিশ্বব্যবস্থা বিকাশিত হবে।তিনি মোট আটটি সভ্যতার কথা বলেছেন।যাদের মধ্যকার দ্বন্দই নয়া বিশ্বব্যবস্থার দিক নির্দেশনা দিবে।তিনি যেসব দ্বন্দ্বের কথা বলেছেন,তার মধ্যে মূল দ্বন্দ্ব হবে,পশ্চিমা সভ্যতার সাথে ইসলামিক সভ্যতার।সেই তাত্ত্বিক ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েই যুক্তরাষ্ট্র আজ তার মূল প্রতিপক্ষ হিসেবে ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোকে টার্গেটে পরিণত করেছি।

আসলে বর্তমানে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা বলতে আর কিছুই দেখছি না,যা দেখছি তা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক “সম্প্রসারণের কৌশল”।অদূর ভবিষ্যতে সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থাই হবে মানবতার কল্যাণমুখী “নয়া বিশ্বব্যবস্থা”,আমি সে আশাই পোষণ করি।

আরো