নিয়মের বহির্ভূত কিছু হলেই প্রকৃতি প্রতিশোধ নেওয়ার কথা
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, খাগড়াছড়ি।
প্রকৃতি আদিকাল থেকেই বৈচিত্র ও ভারসাম্যের পক্ষে।প্রকৃতি তার রাজ্যে কারো অতি- আধিপত্য সহ্য করে না।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ,জাতি,ধর্ম,বর্ণ,ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির বিচিত্র সমীকরণে আগামীর পৃথিবীতে প্রাকৃতিক নিয়মে ধসে যাবে-সব প্রকৃতি বিরুদ্ধ অতি বৃহৎ ক্ষমতা ধরেরা।কারণ অতি স্থূলকায় হওয়াটা যেমন অসুস্থতা,তেমনি কোন রাষ্ট্র অতি বৃহৎ বা অতি শক্তিধর হয়ে পড়লেও অবধারিত রূপে আক্রান্ত হয় স্থূলতা জনিত অতি ক্ষুধায়,আর সেই অতি ক্ষুধাই তার কাল হয়ে দাঁড়ায়।প্রকৃতি খাদ্যের সেই অতি চাহিদার যোগান দিতে আগ্রহী থাকে না বা প্রস্তুত থাকেনা।তখনই তাকে অবতীর্ণ হতে হয় আগ্রাসী ভূমিকায়।খাদ্যের সন্ধানে তাকে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে হয়।পতনের শুরু হয় সেখান থেকেই।কারণ ক্ষুধার্ত ব্যাঘের মত তারও তখন আর হিতাহিত জ্ঞান থাকেনা।
ইবনে খলদুন তার উত্থান-পতন বিশ্লেষণ করতে গিয়ে অনুরুপ চিত্র তুলে ধরেছেন।আধুনিক সিসটেম বিজ্ঞানের বিধানও তাই।অতএব মানবজাতি এবং পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর ভবিষ্যৎ বলতে আর কিছুই নেই, ইতিহাসের সমাপ্তি এভাবে ঘটবে বলে হতাশ হওয়ার কিছুই নেই।মরনাস্ত্রের স্তুপ কিংবা মানুষ হত্যার নিত্য নতুন কৌশল প্রকৃতির নিয়মই অবক্ষয়ও অ- কার্যকর হতে বাধ্য।এটাই সত্য ও বাস্তব।এটা অ-দৃষ্টবাদী আশাবাদ নয়,যার পূর্বাভাস কুরআনে সুস্পষ্ট।পবিত্র কোরআনের পরতে পরতে এসব বিষয় সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া আছে,যা একটু আলোকপাত করা দরকার।
প্রকৃতপক্ষে আল কুরআন সব জ্ঞানের উৎস।মানব জীবনের সমুদয় প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞানের সন্নিবেশ ঘটিয়েছেন, আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে।পবিত্র কোরআনে বর্ণনা আছে”ধরা পৃষ্ঠে বিচরণশীল সব প্রাণী আর নিজ ডানায় ভর করে উড্ডীয়মান পক্ষিকুল সবই তোমাদের মত এক একটি জাতি সৃষ্ট জীব।আমি কোরআনে কোন বিষয় বিবরণ ছেড়ে দিইনি অবশেষে সবাইকে তাদের রবের সমীপে সমবেত হতে হবে।সূরা আনআম-৩৮।আরো বর্ণনা আছে”আমি আপনার নিকট কোরআন নাজিল করেছি সব বিষয় সুস্পষ্ট বিবরণ হিসেবে”। সূরা আন নাহাল ৮৯।চলমান- ১