“লেজে কুকুর লাড়ানোর মত” যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের চেয়ে মোসাদের রিপোর্টের গুরুত্ব বেশি
ইরান ইসরাইল শুধু সংঘাতী নয় ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় এর আগেও মধ্যপ্রাচ্যে যতগুলো যুদ্ধ হয়েছে এর পিছনে রয়েছে নেতানিয়েহুর হাত আমেরিকা কে সব সময়ই ভুল বুঝানো হতো ভুল বুঝিয়ে মাঠে নামানো হয় তাতে সর্বোচ্চ ক্ষতি হয় আমেরিকার। দেখা গেল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দেশের গোয়েন্দা রিপোর্ট তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি বিশ্বাস করেন ইসরাইলের মোসাদের রিপোর্ট তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি হলে কি যায় আসে নেতানিয়াহুর। কারণ তার রাজনীতি সবসময়ই মুসলিম নিধন করা।সারা বিশ্বের সর্বোচ্চ নেতারা বলছে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে সবসময়ই ভুল বুঝায় সেই ভুলেই পারা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, তবে ইরান যুদ্ধের ভিন্নমাত্রা যোগ হয়েছে নেতানিয়াহু আমেরিকাকে ভুল বুঝিয়ে মাঠে বানানোর চেষ্টা করতেছে যুক্তরাষ্ট্র ভুল বুঝে যুদ্ধে জড়ালে মান ইজ্জত যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এতে বোঝা যায় কুকুরে লেজ লারায় না, লেজে কুকুর লাড়ায়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘নেতানিয়াহু ২০০২ সালে যেমন ভুল ছিলেন, এখনও তিনি তেমনই ভুল করছেন।’
বিবৃতিতে বার্নি স্যান্ডার্স উল্লেখ করে বলেন, ২০০২ সালে কংগ্রেসে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাকে যুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘সাদ্দাম পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি আপনি সাদ্দামের শাসন উৎখাত করেন, আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, এর বিশাল ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ বক্তব্যকে ভিত্তি করে ইরাক যুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটে।’
স্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু তখন ভুল ছিলেন, মারাত্মক ভুল। ওই যুদ্ধে ৪ হাজার ৪৯২ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান, আহত হন ৩২ হাজারেরও বেশি। তাছাড়া প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল সেই যুদ্ধে। সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, লাখ লাখ নিরীহ ইরাকি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আজও নেতানিয়াহু একই ধরনের যুদ্ধোন্মাদ অবস্থান নিচ্ছেন, এবার লক্ষ্য ইরান। কিন্তু আমেরিকার উচিত নয় সেই ভুল পথ আবার অনুসরণ করা। আমরা ইরানের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর যুদ্ধে জড়াব না।’
বার্নি স্যান্ডার্সের এ মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল ইস্যুতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। বিশেষ করে বাইডেন প্রশাসনের নীতির সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে ডেমোক্রেটিক দলের প্রভাবশালী অংশ শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।