আরো একবার প্রমাণ করেছে “ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী সংগঠন”
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গোপালগঞ্জে ১৬ জুলাই এনসিপির গাড়ি বহরে হামলা করে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আর একবার প্রমাণ করেছে বিশ্ববাসীর কাছে। দেশী বিদেশী অস্ত্রসহ ঝাঁপিয়ে পড়ে এনসিবি নেতাদের উপরে।পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময এনসিপির শীর্ষ নেতাকর্মীরা আশ্রয় নেন পুলিশ সুপারের কার্যালয়।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর গাড়িবহরে নির্মম হামলার ঘটনা ঘটেছে,যা মুহূর্তেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত করে।
সদর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকায় এই হামলা চালানো হয়।এতে অন্তত ৪ নিহত ১৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা মওলানা কামরুজ্জামান একটি রাজনৈতিক সভায় যোগ দিতে গাড়িবহর নিয়ে জেলা শহরের দিকে আসছিলেন। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল আরোহী মুখোশধারী যুবক হঠাৎ করেই গাড়িবহরের উপর ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা বহরের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং সামনে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করে।
পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করেন।
খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে সেনাবাহিনীও তাদের সাথে যোগ দেয়। এ সময় হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান,হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”
সংঘর্ষ ও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় সন্ধ্যায় খুলনায় পৌঁছান এনসিপির শীর্ষ নেতারা। তারা খুলনা সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। সাবেক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকারের পেটুয়া বাহিন হামলা করেছে ছাত্রলীগসহ নিরীহ মানুষের উপরে শহীদ হয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।আহত হয়েছে শতাধিক নিরীহ মানুষ। সাদ্দাম আরো বলেন নিরীহ নিরস্র ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলন করছিল অস্ত্র ছাড়া। তাহলে মানুষের প্রশ্ন যারা পুলিশের উপরে এনসিপির উপরে গুলি করেছে অস্ত্র দিয়ে তারা কার।
