ঈদের দিবসের সুন্নাতসমূহ
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
ঈদ আমাদের জীবনে আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের বারতা নিয়ে আসে। টানা ৩০ দিন সাওম পালনের পর রোযাদারগণ এই আনন্দ দিবসকে উপলক্ষ করে কিছু সুন্নাত পালন করে আল্লাহর সন্তুষ্টি পরিপূর্ণ করতে পারেন। যেমন:-
*সাদাকাতুল ফিৎর*: ঈদের সলাাতের পূর্বে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা।
*চাঁদ দেখা*: শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা সুন্নাহ। চাঁদ দেখার সময় নিম্নোক্ত দো‘আ পড়া:
اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ
অর্থাৎ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপর এই চাঁদকে উদিত করুন শান্তি ও ঈমানের সাথে, নিরাপত্তা ও ইসলামের সাথে এবং আমাদেরকে এমন কাজের তাওফিক দিন যা আপনি ভালোবাসেন ও যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন। (হে চাঁদ!) আমার ও তোমার রব হলো আল্লাহ।
*পবিত্রতা অর্জন ও ঈদের দিন গোসল করা*: ঈদের জামায়াতে যাবারর পূর্বে গোসল করা সুন্নাহ। পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পোশাক পরিধান ও পুরুষরা সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নাহ।
*নামাজে যাওয়ার আগে খেজুর খাওয়া*।
বেজোড় সংখ্যায় (১, ৩, ৫, ৭টি ইত্যাদি) খেজুর খাওয়া সুন্নাহ।
*হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া:*
সম্ভব হলে পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া উত্তম।
যাওয়া ও আসার পথে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করা সুন্নাহ।
*বাড়ি ফিরে ২ রাকাত নামাজ পড়া:* ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে ২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করা।
*দরুদ পড়া* উম্মাতে মোহাম্মদীর কান্ডারী মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর শাফায়েত লাভে তাঁর প্রতি দরুদ পড়া, বিশেষ করে দরুদে ইব্রাহীম পড়া।
*শুভেচ্ছা বিনিময় করা*
বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা।
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত নেককাজসমূহ প্রতিপালন করার তৌফিক দান করুন।