বাসভাড়া বাড়ল প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা

দেশে একদিনে ২ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৫৯৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ঘনফুট। আর আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পুনঃগ্যাসীকরণের মাধ্যমে সরবরাহ হয়েছে ৯৮৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পেট্রোবাংলার ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বরের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন ও বিতরণ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের মোট সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ২ হাজার ৫৮৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ মোট সক্ষমতার প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে।

দেশীয় গ্যাস উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি এসেছে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর গ্যাসক্ষেত্র থেকে। এসব কোম্পানি থেকে উৎপাদন হয়েছে ৮৭৫ দশমিক ২ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে শেভরনের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ৭০৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ঘনফুট।

রাষ্ট্রীয় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড থেকে উৎপাদন হয়েছে ৪৮১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড থেকে ১৩৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড থেকে ১০৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হয়েছে।

অন্যদিকে, আরপিজিসিএল পরিচালিত এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ৯৮৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুট। এলএনজির পুনঃগ্যাসীকরণ সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট থাকলেও সেখান থেকে সক্ষমতার তুলনায় কম গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১৯টি উৎপাদনশীল কূপের মাধ্যমে এই গ্যাস উৎপাদন হয়েছে। এসব কূপের মোট গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা ৩ হাজার ৮৫৪ মিলিয়ন ঘনফুট।

এদিন গ্যাস উৎপাদনের পাশাপাশি মোট ৫ হাজার ৫৯৬ দশমিক ৬ টন কনডেনসেট উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর গ্যাসক্ষেত্র থেকে কনডেনসেট এসেছে ৪ হাজার ৫৩৬ টন।

আরো