হঠাৎ ৩৫৭ কর্মকর্তার তথ্য চেয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর
বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৩০তম ও ৩১তম ব্যাচের ৩৫৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।
এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটে চিঠি পাঠিয়ে আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তরের ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। তথ্য চাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ৩০তম বিসিএসের ১৭৯ জন এবং ৩১তম বিসিএসের ১৭৮ জন রয়েছেন।
চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে কি না, থাকলে মামলার সর্বশেষ অবস্থা ও হালনাগাদ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হার্ডকপি ও সফটকপি উভয় মাধ্যমে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।
এআইজি (ক্রাইম অ্যানালাইসিস) মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত চিঠিটি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি, বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি এবং বিভিন্ন মহানগর পুলিশের কমিশনারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পুলিশ সদরদপ্তরের পারসোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভাগীয় শৃঙ্খলা ও ফৌজদারি মামলা-সংক্রান্ত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ক্রাইম অ্যানালাইসিস শাখা থেকে বিভিন্ন ইউনিটের কাছে পুনরায় তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তালিকায় থাকা ৩৫৭ কর্মকর্তা সবাই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার। তারা পুলিশ সদরদপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিভিন্ন রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্পাঞ্চল পুলিশ এবং ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন।
তালিকায় কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থলের পাশাপাশি কয়েকজনের বিশেষ অবস্থার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। অন্য একজন কর্মকর্তা সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেষণে নিয়োজিত রয়েছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
