মহানবীর বিদায় হজের ভাষণের মর্মবাণীর কথা

মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া,খাগড়াছড়ি

শুক্রবার ৯ই জিলহজ ১০ই হি: দুপুরের পর আরাফাত ময়দানে লক্ষাধিক হাজীদের সম্মুখে মহানবী যে বাণী দেন,তাই বিদায় হজের ভাষণ।

১.আজ থেকে সকল প্রকার কু-সংস্কার,অন্ধবিশ্বাস এবং সকল প্রকার অনাচার মথিত হয়ে গেল।
২.তোমরা তোমাদের দাস-দাসীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে,তাদের উপর নির্যাতন করোনা;তারাও মানুষ, এরাও একই আল্লাহর সৃষ্টি।

৩.সাবধান!নারীদের উপর অন্যায়-অত্যাচার করবে না,দয়া ও ভালোবাসার মাধ্যমে তাদের সঙ্গে আচরণ কর।
৪.আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না,কাউকে শরিক করলে, সেই কুফরি করল।
৫.সুদ,ঘুষ,রক্তপাত,অন্যায়, অবিচার,জুলুম নির্যাতন করবে না।কারণ এক মুসলমান আরেক মুসলমান পরস্পর ভাতৃ সমাজ।

৬.তোমরা মিথ্যা বলো না, কেননা সব পাপ কাজের মূলে হচ্ছে মিথ্যা।
৭.চুরি করো না,ব্যভিচার করো না,সাবধান!শয়তান থেকে তোমরা দূরে থেকো।
৮.তোমরা তোমাদের আমিরের আদেশ অমান্য করবে না, তোমরা তার আনুগত্য করবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে আল্লাহর দীনের উপর অটল থাকবে।

৯.ধর্মের ব্যাপারে তোমরা বাড়াবাড়ি করো না,কারণ তোমাদের পূর্ব-পুরুষেরা এই কারণে ধ্বংস হয়েছে।
১০.বংশের গৌরব করবে না,যে ব্যক্তি নিজ বংশকে হেয় প্রতিপন্ন করে,অপর বংশের পরিচয় দেয়, তার উপর আল্লাহর অভিশাপ।

১১.তোমরা তোমাদের প্রভুর এবাদত করবে,নামাজ কায়েম করবে,রোজা রাখবে,আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলবে।

১২.আমি তোমাদের জন্য “আল্লাহর কিতাব” ও আমার “জীবন দৃষ্টান্ত”রেখে যাচ্ছি, তোমরা তা অনুসরণ করবে।

১৩.তোমরা ভালোভাবে জেনে রাখো,আমিই সর্বশেষ নবী, “আমার পরে আর কোন নবী আসবে না”।

আরো