চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ:চালুহবে কবে?

স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে যে সকল সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়েছেন বন্ধ হয়েছে অনেক পত্রিকা টেলিভিশন তাদের মধ্যে কয়েকটি নাম তুলে ধরা হলো।
হত্যা পরিকল্পনার মিথ্যা মামলায় শফিক রেহমানকে ধরে নিয়ে গিয়ে জেলে দিয়েছিল হাসিনা। মাহমুদুর রহমানকে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে। আবুল আসাদকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা অফিসে ঢুকে টেনে হিঁচড়ে হেনস্তা করে পুলিসে দিয়েছে,তারপর তাকে জেল খাটতে হয়েছে, রুহুল আমীন গাজীকে হাতে দড়ি বেঁধে জেলে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনির পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সনাক্তই করা হয়নি। ফটো সাংবাদিক কাজলকে দীর্ঘদিন গুম করে রাখা হয়েছে, দৈনিক ইনকিলাবের রবিউল্লাহ্‌ রবি, রফিক মোহাম্মদ, আহমেদ আতিক ও আফজাল বারীকে গ্রেফতার এবং পত্রিকার অফিস ও প্রেস সিলগালা করে দেওয়া হয়। প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকে আটক করা হয়।একুশে টিভির মালিককে ও সাংবাদিক কনক সরোয়ারকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। খুলনার সাংবাদিক মুনীর উদ্দীন আহমেদ এবং কক্সবাজারের সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে সীমাহীন নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে। বিশাল তালিকার এ এক ভগ্নাংশ মাত্র।
চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে দৈনিক আমার দেশ,দৈনিক দিনকাল জুলাই আগস্ট এর পরে চালু হয়েছে।বহু সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়ে, বহু মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়েছে,১৫ বছরের এতো সাংবাদিক নিগ্রহ ও মিডিয়ার কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে কারা কারা সোচ্চার হয়েছিলেন? হাসিনা রেজিমকে ম্যাস মার্ডারে উস্কানি দেওয়া।এবং বিপুল ভাবে অর্থ-সম্পদের মালিক হওয়া কিছু সাংবাদিক নেতাদের কারনে প্রচার বা প্রকাশ হয়নি অনেক কিছু।মানবাধিকার রক্ষায় এখন যারা মারাত্মক সোচ্চার তারা কি সেদিন টু-শব্দটিও করেছিল? নাকি সোল্লাসে হাসিনাকে এসব নিবর্তনে মদত যুগিয়ে গেছে?।

আরো