বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা রাজনীতির পাশাপাশি জড়িয়ে পড়ছে মাদক কারবারের সাথে?
বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীরা রাজনীতির পাশাপাশি জড়িয়ে পড়ছে মাদক কারবারের সাথে। বিএনপি’র একজন নেতা নাম না বলা শর্তে তিনি বলেন এই অবস্থা চলতে থাকলে,এখনই যদি তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে আগামীতে মাদক যাবে মানুষের ঘরে ঘরে সৃষ্টি হবে প্রতিটি সংসারে অরজগতা ভোগ করতে হবে প্রতিটি সংসারে অশান্তি। আর এই থেকে পরিত্রান পাবার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরহয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি যারা রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের নেতাকর্মীরা যদি মাদকের সাথে বেচাবিক্রি বা সংশ্লিষ্টতা থাকলে দলীয় ভাবে তাকে বাদ দিতে হবে।গত ১৩ জুলাই ৩৯ কেজি গাঁজাসহ এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রামের র্যাব।তার নাম জাফর আহমেদ, তিনি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি, তার আরও তিনজন সহযোগীও গ্রেপ্তার হয়েছে।জানা গেছে ওই তিনজনও জাফরের কর্মী।স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাফরকে বহিষ্কারও করা হয় দল থেকে।
গত ২০ জুন রাতে
খুলনা নগরীতে দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও মাদকসহ নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুলসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
টুটপাড়া তালতলা মেইন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে যৌথ বাহিনী তাদের আটক করেন।তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি, একটি রিভলবার, একটি শর্টগান, চার
রাউন্ড কার্তুজ, তিনটি রামদা,
দু’টি চাইনিজ কুড়াল, তিনটি চাপাতি, ১৭০ গ্রাম গান পাউডার ও ১০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৯ মে পিকআপ ভ্যান ভর্তি ৮২ কেজি গাঁজাসহ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ছাত্রদল নেতা রাসেল মাহমুদকে ঢাকায় গ্রেফতার।র্যাব জানায় ঢাকার শ্যামপুর থানার দোলাইরপাড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ৮২ কেজি গাঁজাসহ তার সহযোগী তিনজন এবং একটি পিকআপ ভ্যানও জব্দ করা হয়।
১৮ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাটের শরণখোলায় যুবদল নেতা এবং অপর দুই মাদক বিক্রেতাকে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
কুমিল্লার লালমাইয়ে যৌথবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা,৩০ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৯ হাজার ১৬০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
