যুবলীগ সম্রাটের অনলাইন জুয়া আজ দেশে মরণব্যাধি ক্যান্সারের মত

অনলাইন জুয়া একটি মরণব্যাধি ক্যান্সারের মত, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল হলেই চলে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামের ছোট ছোট দোকান ঘরে চলে অনলাইন জুয়া। এই মরণবেদী অনলাইন জুয়ার কারণে গ্রামের বেশিরভাগ যুবক অনলাইনের এই জুয়ার সাথে জড়িত। খোঁজ নিয়ে জানা যায় গ্রামের ছোট ছোট বাজারগুলোতে সন্ধার পরে শুরু হয় এই অনলাইন জুয়ার আসর, আর এতে সংসার জীবন হয়ে ওঠে উত্তপ্ত কারণ নেশা করলে আক্রান্ত হয়ে একজন জুয়ার কারণে আক্রান্ত হয় দেশ জাতি যে জুয়া খেলে সে এবং তার সংসারের প্রতিটা সদস্য। সে কারণেই জরুরী প্রতিটি গ্রামে এই জুয়া বন্ধ করা দরকার কারণ এই টাকা চলে যায় অনলাইন এর মাধ্যমে বিদেশিদের হাতে আপনি দেখে অবাক হবেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিতে ঢুকলেই আপনি দেখতে পাবেন প্রতিটি সাইডে বিজ্ঞাপন দিয়ে জুয়ার ডাক দেয়া হচ্ছে অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে আপনি খেলতে পারবেন। আমাদের এক পরিচিত লোকে এই জুয়ার সাথে জড়িত তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমরা একটি ছাইডে পাঁচ লাখ টাকা ইনভেস্ট করেছি ডেইলি খেলে ভালো আয় হয় এবং মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা কমিশন পাওয়া যায়, কিছুদিন পরে তার কাছে জানতে চাইলাম এখন কি অবস্থা তিনি বললেন ভাইরে বিপদে পড়ে গেছি কেন কি হয়েছে তিনি বলেন আমার পাঁচ লাখ টাকাও গেছে যা ইনকাম করেছিলাম তাও গেছে আমি পথে বসে গেছি। এই জুয়ার আসর অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে আজকে বাংলাদেশ থেকে শত শত কোটি টাকা পাচার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সরকার যদি এখনই এগুলো বন্ধ না করে তাহলে ভবিষ্যতে এ দেশ থেকে জুয়া কখনোই বন্ধ করা সম্ভব নয়, এদেশে প্রথমে এই অনলাইন জুয়া এসেছিল যুবলীগের সম্রাটের
হাত ধরে ঢুকেছিল বাংলাদেশ, বাধা দিয়েছিল তখনকার সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন ছাত্র, সম্রাটের এই জুয়ার বিরোধিতা করার কারণে সেই সময় তাদের কেউ কিউ যথেষ্ট পরিমাণ নাজেহাল হতে হয়। ক‍্যাসিনোর সাথে জড়িত সেলিম প্রধান নামে একজনকে আজ ভোরে আটক করা হয়। কিন্তুু আটক করে লাভ কি হয় আইনের ফাক ফোকর দিয়ে তারা বেরিয়ে যায়, বের হবার পর একই কর্মকান্ডে তারা লিপ্ত হয়। তাই সরকারের ভিন্ন কৌশলগত দিক দিয়ে আগাইতে হবে কোনভাবেই তারা যাতে জামিন না পায়, আর জামিন পেলেই তারা একই কাজের সাথে জড়িয়ে পড়ে।

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত এবং অর্থপাচার মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সেলিম প্রধানকে এবার সিসা বার পরিচালনার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর চারটার দিকে ঢাকার বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশের গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. আল আমিন হোসাইন।
তিনি বলেন, সেলিম প্রধান বারিধারা এলাকায় সিসা বার পরিচালনা করছিলেন। তার মালিকানাধীন সিসা বার থেকেই ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাইল্যান্ডগামী বিমান থেকে নামিয়ে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর তার বাসা ও অফিসে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ জব্দ করা হয় বলে র‌্যাব জানায়।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সেলিম প্রধান গেল বছর রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যদিও ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় পরে যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

আরো