স্বৈরাচার আওয়ামী আমলে ১০ মণ মিষ্টি বিতরণ করেও সিসিএস এ দায়িত্ব পেয়েছেন প্রকৌশলী আনোয়ারুল

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে বহু অন্যায় অত্যাচার সহ্য করে চাকরি করতে হয়েছে। আর এখন সাবেক ছাত্রনেতা বেলাল হোসেন সরকারকে সরিয়ে দিয়ে, সিসিএস এর দায়িত্ব নিয়েছেন আওয়ামী দোসর আনোয়ারুল। সাবেক ছাত্রদল নেতা বেলাল হোসেন সরকার প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম হিসেবে কর্মরত ছিলো। কিন্তু তাকে রেলের আওয়ামী সিন্ডিকেট সরিয়ে দিয়ে বসিয়েছে তাদেরই দোসর আনোয়ারুল ইসলামকে যিনি সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক পশ্চিম, রাজশাহী হিসেবে কর্মরত ছিলো।

বেলাল হোসেন সরকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পোস্টেড ছাত্রনেতা ছিলেন। তিনি ২০০১-০৩ সেশনে শহীদ স্মৃতি হলে ছাত্রদলের প্যানেলে সাহিত্য সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ছাত্রদলের সক্রিয় সদস্য থাকার পরেও তার স্থানে বসানো হয় আওয়ামী দোসর আনোয়ারুল ইসলামকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাড়ি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় বেলাল হোসেন সরকার এর বাড়ি হওয়ায় অনেক আওয়ামী কর্মকর্তারাই তাকে আড়চোখে দেখে। রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি জানান বর্তমানে আনোয়ারুল ইসলামকে সিসিএস এ দায়িত্বে বসানোর পিছনে কাজ করছেন রেলওয়ের বিগত সরকারের আমলের প্রভাবশালী কিছু ঠিকাদার, তারা তদবির করে আনোয়ারুলকে এই পদে বসিয়েছেন তাদের ফায়দা লোটার জন্য।

আওয়ামীলীগের সাংসদ নূরুল ইসলাম সুজন ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেলপথমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরে আনোয়ারুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে ১০ মণ মিষ্টি বিতরণ করেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। দুদকের নথি থেকে জানা যায়, ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র পরিবর্তন করে, ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক উভয়ে লাভবান হওয়াসহ প্রতারণামূলকভাবে মালামাল সরবরাহ না করে ভুয়া মালামাল সরবরাহ-ক্রয়ের রেকর্ডপত্র সৃষ্টি করে সরকারের কোটি টাকা আত্মসাৎ করার কারনে দুদকে মামলা হয়।

দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় উপরোক্ত অভিযোগে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আহসানুল কবীর পলাশ।

জাতীয়তাবাদীপন্থী কর্মকর্তারা মনে করেন, আওয়ামীলীগের সুবিধাভোগী দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের ব্যাপারে বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তীতে ভয়াবহ সংকটে পরবে রেল সেক্টর।

আমরা আগামী পর্বে জানাবো কিছু অসৎ ঠিকাদার এবং অসৎ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম।

আরো