পশ্চিমাঞ্চলের সব আসন শেষ, আধঘণ্টায় এক কোটি ২৭ লাখ হিট

আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা ধরে ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় চতুর্থ দিনের, অর্থাৎ ২৬ মে’র পশ্চিমাঞ্চলগামী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয় আজ সকাল ৮টায়। টিকিট বিক্রির প্রথম ৩০ মিনিটেই ওয়েবসাইট ও অ্যাপে এক কোটি ২৭ লাখ হিট করেছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ রেলওয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রীদের সুবিধার্থে ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে ট্রেনের শতভাগ আসনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।

রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর মোট আসন সংখ্যা ৩২ হাজার ৭২৯টি। আর সারা দেশের ট্রেনগুলোর মোট আসন সংখ্যা এক লাখ ৭৪ হাজার ২৬৬টি।

এর মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ১৫ হাজার ৪৫১টি আসন বিক্রি হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে বিক্রি হয়েছে ২৪ হাজার ২৯৩টি আসন।

বেলা পৌনে একটায় টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা-রাজশাহী রুটের পাঁচটি ট্রেনের সব আসন, ঢাকা-পঞ্চগড় রুটের তিনটি ট্রেনের সব আসন, ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের দুটি ট্রেনের সব আসন, ঢাকা-দিনাজপুর রুটের তিনটি ট্রেনের সব আসন এবং ঢাকা-খুলনা রুটের তিনটি ট্রেনের সব আসন বিক্রি হয়ে গেছে।

এদিকে আগামী ২৬ মে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে আজ দুপুর ২টায়।

ঈদ উপলক্ষ্যে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৩ মে, ২৪ মে’র টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে এবং ২৫ মে’র টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৫ মে। এছাড়া শেষ দিন ২৭ মে’র টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট বিক্রি করা হবে।

আরো