অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি বিরুরদ্ধে শিক্ষকের জমিদখলের অভিযোগ
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারক এর বিরুরদ্ধে শিক্ষকের জমিদখলের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক তালুকদার আলতাব হোসেনের কন্যা ফারজানা জান্নাত।
রবিবার(১০ মে) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক তালুকদার আলতাব হোসেনের কন্যা ফারজানা জান্নাত।
লিখিত অভিযোগে বলেন, আমার পিতা রামপাল উপজেলার প্রধান সড়ক সদরে ওয়ারেসূত্রে, দানপত্র ও কবলা মুলে মালিকানা দখলিয় জমিতে তিনতলা ভবন নির্মান এবং ভবনের সামনের জমিতে ৪টি দোকান সহ ২টি ফ্যামিলি বাসা নির্মান করে ভাড়া দিয়ে বসবাস করে আসছেন। অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশকর্মকর্তা ওমর ফারুক আমার ছোট কাকার ভোগদখলীয় আমাদের ভবরেন পশ্চিম পাসের উত্তর দক্ষিন লম্বা অংশ জমি ক্রয় করে। তিনি ঊক্ত জমি ক্রয় করে আমদের
ভোগদখলীয় দোকান ঘর ও ভাড়াটিয়ার ঘর অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে হঠাৎ গত ইং ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে তার নির্দেশে আসামী শেখ ই¯্রাফিল পিতা মৃতঃ মতলেব শেখ, হাওলাদার রফিকুল ইসলাম পিতা মৃতঃ হাওলাদার নওশের আলী উভয় সাং ও পোঃ-গিলাতলা, উপজেলা-রামপাল, জেলা-বাগেরহাট ১০/১২ জন লোক নিয়ে আমাদের ভাড়াদেয়া দোকান ঘর ভাংচুর শুরু করলে আমরা ৯৯৯ নং এ কল করা হলে রামপাল থানার এসআই প্রদীপ কুমার ঘটনা স্থলে এসে আসামীদের সাথে কথা বলে ভাংচুর বন্ধ করতে না বলে থানায় চলে যান। এঘটনায় ১লা এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আমরা থানায় এজাহার এবং খুলনা ডিআইজি বরাবর অভিযোগ দাখিল করি । কিন্তু রামপাল থানা কোন অদৃশ্য কারনে এজাহার বনিয়াদে কোন তদন্ত বা ব্যবস্থা গ্রহন করে
নাই এমনকি ডিআইজি অফিস থেকেও কোন আইনগত প্রতিকার পাই নাই। এব্যাপারে আদালতে দায়ের করা দেঃ ৩০৬/২৫ নং মামলায় আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। আসামীরা উক্ত নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে
তড়িঘড়ি করে আমাদের ৪টি দোকান ও ২টি বসত ঘর ভেংগে তার সকল মালামাল আত্মসাথ
করে সেখানে অবৈধ ভাবে পাকা দেয়াল দিয়ে ঘর তৈরী শুরু করেছে। অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুক এতই প্রভাব প্রতিপত্তি ও
ক্ষমতাশালী যে, প্রশাসন সহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিগন তার এই অবৈধ কর্মকান্ড প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা। তারা আমাদের নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তারা যেকোন মুহুর্তে আমাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির করা সহ যেকোন ধরনে বড় ক্ষতি করতে পারে। আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন
করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা এখন আমাদের যাওয়ার মত কোন যায়গা নেই এজন্য আপনাদের স্বরনাপন্ন হয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের আইজি সহ সকলের কাছে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুকের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে সহায়তা কামনা করেন।