বাগেরহাটে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’ গঠন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজের অঙ্গীকার

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃজলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’ গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১ টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উদয়ন বাংলাদেশের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক সভায় নাগরিক সমাজ, শিক্ষক, পরিবেশকর্মী, উন্নয়নকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণে এ ফোরামের যাত্রা শুরু হয়।

বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম’ (ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম) গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক সভার মাধ্যমে এ ফোরাম আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, উন্নয়নকর্মী, পরিবেশকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। ফোরামের লক্ষ্য হলো উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা। পাশাপাশি জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, টেকসই ও জনবান্ধব নীতি প্রণয়ন এবং স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে কাজ করবে সংগঠনটি।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়। এতে আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মো. আল আমিন সরদার এবং সদস্য সচিব হয়েছেন আসওয়াদ জামান কাবেরী। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাংবাদিক আবু তালেব, সামিয়া আহসানি, মো. সজীব, তরিকুল ইসলাম ও মো. রাকিবুল ইসলাম।
এছাড়া সভায় ক্লাইমেট অ্যাডভোকেসি ফোরামের উপদেষ্টা মো. আসাদুজ্জামান, উপদেষ্টা নার্গিস আক্তার, সাংবাদিক ইসরাত জাহান, মিসেস মিতা, লিডার্সের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী এবং প্রজেক্ট অফিসার বদরুন্নেসা মিলিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চল ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম কমিউনিটির সমস্যা চিহ্নিত করা, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর অ্যাডভোকেসির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
তারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে প্রেস ব্রিফিং, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, গবেষণা, ক্যাম্পেইন, প্রশিক্ষণ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের কণ্ঠস্বর জাতীয় পর্যায়ে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

আরো