নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কেমন চাই?

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম: ক্ষমতার মসনদকে দীর্ঘস্থায়ী করার মানসেই বিগত আওয়ামী সরকারের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি’ বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী না করে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছে। স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের স্থলে আজ্ঞাবহ কমিশন গঠণ করে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে লক্ষ লক্ষ তরুণ ভোটারকে ভোটদানে বিরত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের সহায়তায় পরপর তিনটি নির্বাচনী বৈতরনী পাড় হয়ে জনগণের রায়ের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। তাই এক সময় দেখা গেল দেশের মালিক ভোটাররা অপমানিত ও লজ্জিত হয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। বিরাজনীতিকরণের জন্য রাজনীতিতে সংবিধানকে বারবার টেনে আনা হয়েছে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহার করে পবিত্র সংবিধানকে যেমন খুশি তেমন কাঁটা ছিঁড়া করা হয়েছে, ক্ষমতার দম্ভে একের পর জনবিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে বিরোধী দল ও মতকে ধ্বংস করে গণতন্ত্রের স্থলে ফ্যাসিবাদ কায়েম করা হয়েছে। পেশীশক্তি ও আজ্ঞাবহ প্রশাসন দিয়ে একক ক্ষমতার ‘একনায়কতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করে জনগণের জান ও মাল লুটপাটের মহোৎসবে মেতে উঠেছে। দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর জানিয়েছেন- শেখ হাসিনার দোসররা ব্যাংক খাত থেকে ১৭ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। ফলে মুদ্রাস্ফীতি ও মূল্যস্ফীতির কারণে জন দুর্ভোগ বেড়েছে বহুগুণে। ব্যাংকিং সেক্টর ও দেশের অর্থনীতি চরম সঙ্কটে পড়েছে। শেখ হাসিনার পতনের পর নোবেল লরেট ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্ববর্তীকালীন সরকারমাথাভারী প্রশাসন ও বিধ্বস্ত অর্থনীতি পূণরুদ্ধারে চরম বেকায়দায় পড়েছেন। জনগণের প্রত্যাশা- তিনি এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সফল হবেন।
১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট সরকার অনেকটা তড়িঘড়ি করেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তারা সম্যক বুঝতে পেরেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বলবৎ থাকলে তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষমতায় থাকার খায়েশ কষ্মিণকালেও পূরণ হবার নয়। পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এর মাস দেড়েক পরেই ৩০ জুন সংসদে গৃহীত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। অথচ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৩টি জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে বড় কোন অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি। উপরোক্ত নির্বাচনগুলোতে বিএনপি বা আওয়ামীলীগের কেউই টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠণ করতে পারেনি।
একটি জাতীয় দৈনিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিলের ঘটনাকে এভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে- “৩০মে, ২০১১ অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির ২৬তম বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের সিদ্ধান্তটি হয়েছিল। এদিন বিকাল ৪টা থেকে রাত প্রায় পৌনে ৮টা পর্যন্ত সংসদ ভবনের তৃতীয় তলায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার কার্যালয়ে এ দীর্ঘ বৈঠক হয়েছিল। অর্থাৎ এই বৈঠকে সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম মূলত বোমাটি ফাটান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি দ্রুত পায়ে হাঁটতে হাঁটতে বলে দেন যে, ‘তত্ত্বাবধায়ক বাতিল’। আবদুল মতিন খসরু ও আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, আগামীকাল (৩১ মে) দুপুরে মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে ব্রিফ করা হবে। সাংবাদিকরা দৌড়ে সংসদের টানেলে এসে দাঁড়ান। কমিটির সদস্যরা বের হলেই যাতে ধরা যায়। শেখ সেলিম বের হবার সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। সেলিম বলেন, ‘আদালত একইসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে বলেছেন এটা অবৈধ, আবার পর্যবেক্ষণে বলেছেন এই ব্যবস্থা আরও দুই মেয়াদ থাকতে পারে। এ দুটি তো মেলে না। আমরা কেন ঝামেলায় যাব?’ তিনি আরও বলেন, ‘আরও দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে আদালত যা বলেছেন সেটি রায় নয়, অভিমত। আমরা আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ শেখ সেলিমের এই কথা শুনে কমিটির অন্য সদস্যরাও আর ইতস্তত করেননি। আমীর হোসেন আমু, আবদুল মতিন খসরু, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রাশেদ খান মেননও একই সুরে কথা বলেন। মতিন খসরু বলেন, ‘আদালতের রায় শিরোধার্য, সবাইকে মানতে হবে।“ (তথ্যসূত্র: আল আমিন রশীদ, দৈনিক প্রথম আলো, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের জৈষ্ঠ্যনেতা তোফায়েল আহমেদ, জাপা প্রেসিডেন্ট হু.মু. এরশাদ, জাসদ (ইনু) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন এবং মহাজোটের সকল দল ও নেতৃবৃন্দ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রেখে বক্তব্য দেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলে আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের অন্যতম কারণ ছিল পরবর্তী নির্বাচনে বিজয়ের বাঁধা অপসারণ করা। বিচারপতি খায়রুল হক এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন পদ্ধতিকে হিমাগারে পাঠিয়ে রাজনীতির ফ্রাংকেনস্টাইন সৃষ্টি ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের উত্থানে সহযোগিতা করেছেন। তিনি অবসরে যাবার এক বছর পর এই রায়ে স্বাক্ষর করে তখন তিনি ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন। অবশেষে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আবারও চলছে জোর আলোচনা। সংগত ও যৌক্তিকভাবে এই ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনতে কেউ কেউ আইনি প্রক্রিয়াও শুরু করেছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনও করা হয়েছে।

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নির্বাচনপদ্ধতি পরিবর্তন নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর একটি বড় অংশ বিদ্যমান পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবর্তে ভোটের আনুপাতিক হারে বা সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে। তবে দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপি এই পদ্ধতি চায় না। তারা বর্তমান পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে। গত শনিবার ‘রাষ্ট্র সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনী’ বিষয়ে এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় বিশিষ্টজনেরা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি চালু করার পক্ষে মত দেন। আলোচনায় বলা হয়, স্বৈরশাসন ঠেকাতে হলে সবচেয়ে বেশি কার্যকর পন্থা হবে আনুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন।
নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কার নিয়ে বিগত ১২ অক্টোবর সিরডাপ মিলনায়তনে একটি সেমিনারে আমি নিজেও উপস্থিত ছিলাম। রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসীর আয়োজনে সভাপতি একরামুল হক সায়েমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে অন্তর্বতীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ব্রি: জে: (অব এম সাখাওয়াত হোসেন, প্রধান আলোচক ছিলেন কমিশন প্রধান, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও সম্পাদক (সুজন) ড. বদিউল আলম মজুমদার। উক্ত সেমিনারে বিএনপি, সিপিবি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও গণ অধিকার পরিষদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। এর মধ্যে বিএনপি ছাড়া অন্য দলগুলো আনুপাতিক পদ্ধতির পক্ষে নিজেদের মত দেয়।
আনুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচনের বিশেষত্ব হলো-
• আনুপাতিক পদ্ধতির ভোটে ব্যালটে প্রার্থী থাকবেন না। দলীয় প্রতীকে ভোট হবে।
• একটি দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সেই অনুপাতে আসন বণ্টন হবে।
বেশি প্রচলিত নির্বাচনের দুই পদ্ধতি
বিশ্বব্যাপী দুই ধরনের নির্বাচনপদ্ধতি বেশি প্রচলিত। এর একটি ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ বা এফপিটিপি এবং অন্যটি ‘প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন’ বা পিআর নামে পরিচিত। দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ গঠিত হয় ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে। এর মধ্যে ৩০০ জন নির্বাচিত হন একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে। আর নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনে নির্বাচন হয় দল বা জোটগুলোর পাওয়া আসনের সংখ্যানুপাতে।
দেশে এখন নির্বাচন হয় সংসদীয় আসনভিত্তিক, এটি এফপিটিপি হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনি নির্বাচিত হন। এখানে ভোটের হার বা সারা দেশে কোন দল কত ভোট পেল, তা কোনো বিষয় নয়। কত আসন পেল, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া বিদ্যমান আইনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকলে একক প্রার্থীকে ভোট ছাড়াই বিজয়ী ঘোষণা করা যায়। বর্তমান পদ্ধতিতে কোনো দলকে এককভাবে সরকার গঠন করতে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে হয়। অর্থাৎ তাদের ১৫০টির বেশি আসন পেতে হয়। এককভাবে না পেলে কোয়ালিশন বা জোট সরকার করা যায়। সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে কোনো দলের পক্ষে এককভাবে সরকার গঠন করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

বেশিরভাগ দেশে পিআর বা আনুপাতিক পদ্ধতি
এশীয় প্রবৃদ্ধি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশে অপরিচিত হলেও বিশ্বের ১৭০টি দেশের মধ্যে ৯১টি, অর্থাৎ ৫৪ শতাংশ দেশে আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা প্রচলিত। উন্নত দেশগুলোর সংস্থা অর্গানাইজেশন অব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো–অপারেশনভুক্ত (ওইসিডি) ৩৬টি দেশের মধ্যে ২৫টি, অর্থাৎ প্রায় ৭০ শতাংশ দেশই আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা অনুসরণ করে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচন হয় ব্যক্তি-প্রার্থীর পরিবর্তে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ৩০০ নির্বাচনী এলাকা থাকবে না। বাংলাদেশ হবে একটি একক নির্বাচনী এলাকা। নির্বাচনে যে দল মোট প্রদত্ত ভোটের যত শতাংশ পাবে, সেই অনুপাতে সংসদে আসন লাভ করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে-প্রধানমন্ত্রীকে স্বৈরাচারী হওয়ার পথ ঠেকানোর একমাত্র রাস্তা হলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি। কারণ, এই পদ্ধতিতে ভোট হলে কোনো দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। বিগত নির্বাচনগুলোর হিসাবে আনুপাতিক পদ্ধতিতে ভোট হলে কোনো দল এককভাবে সরকারই গঠন করতে পারত না।
এবিষয়ে বিবিসি বাংলাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশের প্রচলিত নির্বাচন ব্যবস্থার অসুবিধাগুলো আমরা দেখেছি। আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থার অসুবিধা আমরা দেখিনি। এটা চালু করতে সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হবে। তবে সেটি খুব কঠিন কিছু নয়”।
অতীতের নির্বাচনী ইতিহাস ও বিগত আওয়ামী শাসনামলে কয়েকটি কলঙ্কিত নির্বাচন পর্যালোচনায় বলা যায়- নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যারাই পেয়েছে, তারা নিজেদের স্বার্থে সংবিধান সংশোধন করেছে। আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সর্বসম্মতি ছাড়া সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব হবে না। আর আবশ্যিকভাবে সংসদে শক্ত বিরোধী দল থাকবে। উন্নত চিন্তা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি ভেবে দেখার সময় এসেছে।
taazabdullah@gmail.com

আরো