কিছু নেতাদের মন্তব্যে রাজনীতি হাসি তামাশয় পরিণত হয়েছে
শুক্রবার ৬ জুন সন্ধ্যা ৭ টায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস ভাষণে তিনি বলেন। আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধের যে কোন এক দিনে সম্প্রতি বিএনপি’র কিছু সিনিয়র নেতাদের বিভিন্ন রকমের মন্তব্যে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিএনপি পার্টি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জন্ম দিয়েছে হাসি-ঠাট্টার বিএনপি সিনিয়র নেতা বরকতউল্লাহ বুলু তিনি তার এক বক্তৃতায় ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস সম্পর্কে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি বলেন ডঃ ইউনুস ক্যাথলিক খ্রিষ্টান এই মন্তব্যের কারণে বিএনপি সহ নাগরিকদের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।বিএনপির আরেক নেতা শামসুজ্জামান দুধু তিনি তার এক মন্তব্যে বলেছেন প্রসাব করে দিলে এরকমের পার্টি ভেসে যাবে তার এই মন্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগে হাসি-ঠাট্টার খোরাক হয়েছে। শামসুজ্জামান দুদু সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন না হলে আমরাই তারিখ দিয়ে দিব এ ধরনের মন্তব্য সংবিধান পরিপন্থী বলে মনে করেন অনেকে। এদিকে বিএনপির আরেক নেতা ইসরাক বলেছেন শপথ না পড়ালে নিজেরাই শপথ পড়ে চেয়ারে বসবো। কিছুদিন আগে এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন কিছু দল ভারতের সাথে সুর মিলিয়ে ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় তাদের বক্তব্যের সাথে ভারতের বক্তব্যের কোন পার্থক্য নেই। তারা ভারতের সুরে নির্বাচনের কথা বলছে। নাহিদের কথার জবাব দিতে গিয়ে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ এক মন্তব্যে বলেছেন ডিসেম্বরে নির্বাচন চাইলে যদি ভারতের সুরে কথা বলা হয়। তাহলে যারা নির্বাচন পেছাতে চায় তারা নিশ্চয়ই যুক্তরাষ্ট্র কিংবা চীনের সুরে কথা বলছে তবে বোঝা গেল ভারতের এজেন্ডাই বাস্তবায়ন করছেন সালাউদ্দিন আহমেদ। বিএনপির একজন সিনিয়র নেতার সাথে কথা বললে তিনি বলেন রাজনীতির শুদ্ধতা ও দায়িত্বশীলতার অভাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুবার দেখা গেছে-কাউকে দুর্নীতিবাজ, দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করতে মিথ্যাচারকে ব্যবহার করা হয়। এই প্রবণতা গণতান্ত্রিক চর্চাকে দুর্বল করে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতির প্রতি ঘৃণা জন্ম দেয়।
