মিথ্যে মামলায় জর্জরিত হেকমত আলী
বিশেষ প্রতিনিধঃ গাজীপুর শ্রীপুর রাজাবাড়ি ইউনিয়নে প্রতারণাসহ মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন হেকমত আলী।হেকমত আলী বলেন ১৯৭১ সাল থেকে আমি দিনের পর দিন শ্বশুর বাড়ির লোকজনকে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছিলাম আজ তারাই আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। আকাশবাণণীবিডি২৪ ডটকম এর একটি তথ্যের উপর ভিত্তি করে সেই মানুষটির দুঃখের কথা শোনার জন্য এবং দেশ ও জাতির কাছে তুলে ধরার জন্য সেখানে যান।আমাদের গণমাধ্যম কর্মীর সাথে সাক্ষাৎ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।হাকমত আলী বলেন আমি দিনের পর দিন আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছিলাম।তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিয়ে করেছি ১৯৭১ সালে আমার স্ত্রীর সন্তানাদি হায়না বিধায় তিনি বহু ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তারি রিপোর্টে যখন আসলো তার স্ত্রী মা হতে পারবেন না।তখন তিনি তার স্ত্রীর, বোনের ছেলেদের নিজের সন্তানের মতন করে লালনপালন শুরু করেন। এবং স্ত্রীর ভাই সাংবাদিক জহিরুল ইসলামকে ও মানুষ করি আমি। কিন্তুু আমি জানতাম না তারা মানুষ না হয়ে অমানুষ হবে।আমার অর্থ ও জায়গা জমি বিক্রি করে তাদেরকে মানুষ করার চেষ্টা করি।তিনি আরো বলেন বিগত ৪৫ বছর সংসার করেন তাহার সাথে এই ৪৫ বছরের ভিতরে তার স্ত্রীর ভাই ও বোনের ছেলেদের মানুষ করতে অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় করেন।যখন দেখলেন তারা তাহাকে ব্যবহার করে দিনের পর দিন টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে তখন তাদেরকে হেকমত আলীর বাড়ি থেকে বের করে দেন। তিনি আরো বলেন আমার স্ত্রীর যেহেতু সন্তানাদি হচ্ছে না বিধায় তিনি একটি সন্তানের জন্য দ্বিতীয় বার বিবাহ করেন।তখন আমার প্রথম স্ত্রী নানা ভাবে চাপ দিতে থাকেন চাপ সহ্য করতে না পেরে আমার স্ত্রীর নামে ষোল কাটা জমিন লিখিয়া দেই। ২০১৬ সালে আমার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেই এবং ১৬ কাটা জমিনের মালিক করে ও একটি ঘর বানিয়ে দেই যাহাতে তাহার কোন কষ্ট না হয়। এবং কি তাহার ভরন পোষণ দিয়ে আসছিলাম।তার কাছে জানতে চাইলে কি কারনে তাহাকে তালাক দিলেন।তিনি বলেন বিগত ৪৫ বছর ধরে আমার কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকা নিয়েছে আমার প্রথম স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনেরা সেই টাকা ফেরত চাইলে তারা আমাকে মিথ্যে মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে এই কারণে তাহাকে আমি তালাক দিয়েছি। এবং ২০২১ সালে আমার প্রথম স্ত্রী আমার নামে আরও একটি মিথ্যে মামলা দেয় এবং আমার বাড়ি থেকে আমাকে তাহার ভাই সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম ও তাহার মামা এডভোকেট ও এডভোকেটের ছেলে মিলে আমাকে আমার বাড়ি থেকে বের করে দেন। আমি এখন অন্যের আশ্রয়ে থাকছি আমার জমিনে যেতে পারছি না।আপনার এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে গিয়েছেন কিনা, তিনি বলেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বার ও এলাকাবাসী সবাই জানেন তারা কেউ একভোকেটের ভয়ে আমার বাড়ি ফিরিয়ে দিতে পারে নাই।এবং কি আমাকে ও আমার সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন প্রথম স্ত্রীর ভাই সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম। তিনি আরো বলেন আমি আমার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছি ২০১৬ সালে আমার নামে অনেকগুলো মিথ্যে মামলা দিয়েছে যে মামলার কারণে আজ আমি পথের ভিখারি হয়ে গেছি।আপনি আইনের আশ্রয় নিয়েছিলেন কিনা,তিনি বলেন পুলিশ দিয়ে আমাকে হুমকি দেয় থানার আশেপাশে আমাকে দেখলেই আটক করা হবে।আমি যেন কোনদিন থানার আশেপাশে না যাই।আমাদের সংবাদকর্মী বলেন, যে থানার পুলিশ আপনাকে হুমকি দেয় তাকে আপনি চেনেন কিনা তখন তিনি বলেন আমি মূর্খ মানুষ পুলিশের নাম জানিনা। আমাদের প্রতিনিধি জানতে আশেপাশে জনগণের সাথে কথা বলেন আশেপাশের লোকজনেরা বলেন এডভোকেট ও সাংবাদিক জহিরুল ইসলামের ভয়ে আমরা কিছুই করতে পারি না।কিছু হলেই সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম ও তাহার মামা এডভোকেট কে দিয়ে আমাদেরকে মিথ্যে মামলা দেওয়ার হুমকি দেয়।হেকমত আলী সারা জীবন যাদের পিছনে অর্থ ব্যয় করেছেন তারাই আজ তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছেন। হেকমত আলী তাহার প্রথম স্ত্রীর আত্মীয়স্বজনের পিছনে অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন সেই হেকমত আলী তাহার স্ত্রীর কাছে নাকি যৌতুক চেয়ে ও নির্যাতন করেন।আরো মজার ব্যাপার ২০১৬ সালে যাহাকে তালাক দিয়েছেন তাহার কাছে নাকি ২০২১ সালে যৌতুক চেয়ে নির্যাতন করছেন।বিগত ৪৫ বছর সাংসারিক জীবনে তাহার প্রথম স্ত্রী মনিরা বেগম ও তার পরিবারের লোকজনকে অর্ধ কোটি টাকা দিয়ে সাহায্য করার চেষ্টা করেন সেই মানুষটা নাকি আজ তাহার প্রথম স্ত্রী মনিরা বেগমের কাছ থেকে যৌতুক চেয়েছেন।সাধারণ জনগণ থানা ও আদালতে যেতে ভয় পায়, যেখানে সাধারণ জনগণ ন্যায় বিচারের আশায় যাবেন, সেখানে যদি তাহারা ন্যায় বিচার না পায় তাহলে কার কাছে ন্যায় বিচার পাবে।থানা থেকে যে পুলিশের সদস্য ফোন দিয়ে হুমকি দেয় তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।হেকমত আলী বলেন আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তারা করেছে বিজ্ঞ আদালত পুলিশ ছাড়া তদন্ত করলে সকল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।
