দুআর শক্তি: গুরুত্ব ও তাৎপর্য
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
দুআ অর্থ প্রার্থনা করা, আপন রবকে একান্তে ডাকা; তাঁর সামনে নিজ সত্তাকে পেশ করা। নিজের প্রয়োজন-আরজি তুলে ধরা। দুআ হল মুনাজাত— প্রভুর সঙ্গে বান্দার একান্ত আলাপ।
হাদীস শরীফে দুআকে বলা হয়েছে ইবাদতের মূল-মগজ। কারণ, দুআর মধ্যে রবের সামনে বান্দার আবদিয়াত ও দাসত্ব পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। এসময় বান্দা আল্লাহ ছাড়া সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে, সকল উপায়-উপকরণকে পিছে ঠেলে একমাত্র দয়াময় প্রতিপালকের সামনে হাজির হয়। নিজের দীনতা ও হীনতা স্বীকার করে রবের সামনে নিজ উপায়হীনতা, অসহায়ত্ব ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করে। নিজ সত্তা ও ক্ষমতা সবকিছুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে কায়মনে ধরনা দেয় প্রভুর দরবারে। এজন্যই দুআকে বলা হয়েছে *ইবাদতের মূল-মগজ*। বরং বলা হয়েছে ‘দুআই ইবাদত’ —ইবাদতের প্রকৃত ও সর্বোচ্চ মাধ্যম। নুমান ইবনে বাশীর রা. থেকে বর্ণিত, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
الدُّعَاءُ هُوَ العِبَادَةُ.
দুআই ইবাদত।
অতঃপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পবিত্র কোরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত করেন—
وَ قَالَ رَبُّكُمُ ادْعُوْنِيْۤ اَسْتَجِبْ لَكُمْ ؕ اِنَّ الَّذِيْنَ يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِيْ سَيَدْخُلُوْنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِيْنَ.
তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো। আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব (দুআ কবুল করব)। নিশ্চয়ই অহংকারবশে যারা আমার ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। [সূরা মুমিন : ৬০]
মূলপাতা
সকল সংখ্যা
বিভাগ
লেখকবৃন্দ
আপনার জিজ্ঞাসা
পরিচিতি
যোগাযোগ
বর্ষ: ১৯, সংখ্যা: ০৫
যিলকদ ১৪৪৪ || জুন ২০২৩
দুআ : গুরুত্ব ও তাৎপর্য
মাওলানা মুহাম্মাদ নূরুল্লাহ
দুআ অর্থ প্রার্থনা করা, আপন রবকে একান্তে ডাকা; তাঁর সামনে নিজ সত্তাকে পেশ করা। নিজের প্রয়োজন-আরজি তুলে ধরা। দুআ হল মুনাজাত— প্রভুর সঙ্গে বান্দার একান্ত আলাপ।
হাদীস শরীফে দুআকে বলা হয়েছে ইবাদতের মূল-মগজ। কারণ, দুআর মধ্যে রবের সামনে বান্দার আবদিয়াত ও দাসত্ব পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়। এসময় বান্দা আল্লাহ ছাড়া সবকিছু থেকে মুখ ফিরিয়ে, সকল উপায়-উপকরণকে পিছে ঠেলে একমাত্র দয়মায় প্রতিপালকের সামনে হাজির হয়। নিজের দীনতা ও হীনতা স্বীকার করে রবের সামনে নিজ উপায়হীনতা, অসহায়ত্ব ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করে। নিজ সত্তা ও ক্ষমতা সবকিছুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে কায়োমনে ধরনা দেয় প্রভুর দরবারে। এজন্যই দুআকে বলা হয়েছে ইবাদতের মূল-মগজ। বরং বলা হয়েছে ‘দুআই ইবাদত’ —ইবাদতের প্রকৃত ও সর্বোচ্চ মাধ্যম। নুমান ইবনে বাশীর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
الدُّعَاءُ هُوَ العِبَادَةُ.
দুআই ইবাদত।
এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত তিলাওয়াত করেন—
وَ قَالَ رَبُّكُمُ ادْعُوْنِيْۤ اَسْتَجِبْ لَكُمْ ؕ اِنَّ الَّذِيْنَ يَسْتَكْبِرُوْنَ عَنْ عِبَادَتِيْ سَيَدْخُلُوْنَ جَهَنَّمَ دٰخِرِيْنَ.
তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো। আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব (দুআ কবুল করব)। নিশ্চয়ই অহংকারবশে যারা আমার ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। [সূরা মুমিন (৪০) : ৬০] —সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ১৪৭৯; জামে তিরমিযী, হাদীস ২৯৬৯
আল্লামা তীবী রাহ. বলেন, দুআ হচ্ছে আল্লাহর কাছে বান্দার সবোর্চ্চ বিনয় প্রদর্শন এবং তাঁর নিকট নিজের মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ করা এবং তাঁরই কাছে আশ্রয় গ্রহণ করা। —তুহফাতুল আহওযায়ী ৯/২২০
পরিভাষায় দুআ হচ্ছে, স্রষ্টার নিকট বান্দার সাহায্য কামনা, তাঁকে ডাকা, তাঁর প্রতি নিজের মুখাপেক্ষিতা প্রদর্শন, সামর্থ্য সক্ষমতা তারই কাছে প্রার্থনা করা আর সকল কিছু থেকে নিজেকে বিমুখ করা। এতে আল্লাহর প্রশংসাও থাকে এবং অনুগ্রহপ্রাপ্তি তাঁরই প্রতি সম্পর্কিত করা হয়। —তাফসীরে কাবীর ৫/৯৭
ইমাম যাজ্জাজ রাহ. (মৃ. ৩১১ হি.) বলেন, দুআ তিন প্রকার :
১. আল্লাহর প্রশংসা ও তাওহীদ। যেমন, ‘লা—ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা।
২. আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা করা। যেমন, রাব্বিগফির লানা (হে আমার রব! আমাদের ক্ষমা করুন) বলা।
৩. দুনিয়ার সমস্যা সমাধান ও দুনিয়ার কল্যাণ কামনা করা। যেমন, হে আল্লাহ রিযিক দিন, সন্তান দিন ইত্যাদি বলা। [দ্র. আদাবুদ দুআ, ইউসুফ ইবনু আব্দুল হাদী, পৃ. ৩৫, দারুন নাওয়াদির, বৈরুত]
দুআর তাৎপর্য
দুআ শ্রেষ্ঠ ইবাদতের একটি। মহান রবের আনুগত্যের অংশ। মুমিন দুআ-বিমুখ হতে পারে না। বান্দা ও স্রষ্টার গভীর বন্ধন দুআ। বান্দার জ্ঞান অবগতি স্রষ্টা সম্পর্কে যত পূর্ণতায় পৌঁছে ততই তার দুআ বৃদ্ধি পায়। সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহকে যে যত বেশি চিনতে পারে সে তত বেশি প্রার্থনাকারী হয়। দুআ বান্দার মুখাপেক্ষিতার প্রকাশ ঘটায়। আমাদের নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্ব দিয়ে দুআ করতেন। তেমনি সালাফে সালেহীন সকল অবস্থায় দুআয় মগ্ন হতেন।
কিন্তু দুঃখজনক সত্য হচ্ছে অধিকাংশ মানুষ বিপদে পড়ার পর দুআ করে। এটা ভুল পন্থা। মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সুখ ও আনন্দ সর্বাবস্থায় দুআর প্রতি যত্নশীল হওয়া। যখন সে আল্লাহর সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষা করবে বিপদের সময় তার দুআ কবুল হবে।
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি কামনা করে, বিপদ ও সঙ্কটের সময় আল্লাহ তার দুআ কবুল করুন, সে যেন সুখের সময় অধিক পরিমাণে দুআ করে। —জামে তিরমিযি, হাদীস ৩৩৮২
দুআর মযার্দা অতি উচ্চ। তার কল্যাণ অতি ব্যাপক। দ্বীনের মধ্যে দুআর গুরুত্ব অতি উপরে। বিপদ ও অনিষ্ট প্রতিহত করতে এর চাইতে বড় অস্ত্র নেই।
দুআ এমন ইবাদত, যা মুমিন সবার্বস্থায় করে। দুআ বান্দা ও রবের মধ্যকার সম্পর্কের মাধ্যম স্বরূপ। দুআ প্রয়োজন পূরণের চাবিস্বরূপ। এটি এমন দরজা, যা আল্লাহ খুলেছেন তার বান্দাদের জন্য; যা দিয়ে তারা রবের অপার রহমতের ভাণ্ডারে প্রবেশ করবে।
দুআ রোগের আরোগ্য। শত্রুর মোকাবেলায় অস্ত্র। বিপদাপদ দূর করার সবচাইতে শক্তিশালী উপকরণ। নবী রাসূল ও সালাফে সালেহীনের জীবনে দেখা যায় দুআ তাঁদের সবচাইতে বড় অবলম্বন।
আমাদের নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম দুআর খুব কদর করতেন। আমাদের জ্ঞানচচার্র ধারায় দুআর ভাণ্ডার অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এগুলোর সাহিত্যমান ও মিষ্টতা অকল্পনীয়। কুরআন, ইসলামী আদব, আকীদা, আত্মশুদ্ধি ও আত্মিক উন্নয়নের বর্ণনায় সমৃদ্ধ। বান্দার আনুগত্যের সৌন্দর্যও মাছূর দুআগুলোতে উজ্জ্বলভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
দুঃখের সময় মানুষ দুআর মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় নেবে। নিআমতপ্রাপ্ত হলে কৃতজ্ঞতায় নত হবে। অভাবের সময় সম্পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থার সাথে আল্লাহর কাছে চাইবে। বান্দার এই অবস্থাটা তার ঈমানের সত্যায়নের পক্ষে দলীল। আল্লাহর প্রতি তার বিশ্বাস ও সুধারণার প্রমাণ।
দুআকারী যখন দুআ করে তখন সে তার সকল কিছু আল্লাহর হাতে সোপর্দ করে সাহায্যপ্রার্থী হয়। তার প্রয়োজন পূরণে আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ নির্ভরশীল হয়। সে এই বিশ্বাস থেকেই প্রভুমুখী হয়। আল্লাহ ছাড়া আর কারও প্রতি ভ্রম্নক্ষেপ করে না। বন্দেগীর এই দৃশ্যটা অসাধারণ। আল্লাহ তাআলা কাকুতি মিনতি করে প্রার্থনাকারীকে পছন্দ করেন। ভরসাকারীকে পছন্দ করেন। একনিষ্ঠ ইবাদতকারীকে পছন্দ করেন।
নিরূপায় বান্দার দুআয় থাকে নিষ্ঠা। সেই দুআ আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। নিরূপায় অবস্থা হচ্ছে, এমন সময় বিপদাপদের সম্মুখীন হওয়া, যখন বান্দার পক্ষে তা প্রতিহত করার কোনো উপায় অবলম্বন করা সম্ভব হয় না। অথবা এমন অবস্থায় পড়া, যখন বান্দার কাছে কোনো বাহ্যিক উপায় বলতে কিছু থাকে না। যেমন ইবরাহীম আ.-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, ইউনুস আ. যখন মাছের পেটে ছিলেন। তাঁরা আল্লাহকে ডেকেছিলেন, আল্লাহ সাড়া দিয়েছেন। এমনকি মুশরিকরাও নিরুপায় হয়ে যখন আল্লাহকে ডাকে আল্লাহ তখন তাদের ডাকে সাড়া দেন। ইরশাদ হচ্ছে—
وَ اِذَا غَشِيَهُمْ مَّوْجٌ كَالظُّلَلِ دَعَوُا اللهَ مُخْلِصِيْنَ لَهُ الدِّيْنَ .
তরঙ্গমালা যখন মেঘাচ্ছায়ার মতো তাদেরকে আচ্ছন্ন করে তখন তারা আল্লাহকে এভাবে ডাকে যে, তখন তাদের ভক্তি-বিশ্বাস কেবল তাঁরই উপর থাকে। —সূরা লুকমান (৩১) : ৩২
قُلْ مَنْ يُّنَجِّيْكُمْ مِّنْ ظُلُمٰتِ الْبَرِّ وَ الْبَحْرِ تَدْعُوْنَهٗ تَضَرُّعًا وَّ خُفْيَةً لَىِٕنْ اَنْجٰىنَا مِنْ هٰذِهٖ لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الشّٰكِرِيْنَ.
(বলো! স্থল ও সমুদ্রের অন্ধকারের সেই সময়ে কে তোমাদের রক্ষা করেন, যখন তোমরা মিনতি সহকারে ও চুপিসারে তাঁকেই ডাক (এবং বল যে,) তিনি যদি এই মসিবত থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করেন, তবে অবশ্যই আমরা কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব? [সূরা আনআম : ৬৩]
*দুআর বাহ্যিক উপকারিতা*
১) *দুআ মনোযোগ ও উদ্যম বাড়ায়*: নিয়মিত দুআ বা আধ্যাত্মিক অনুশীলন মস্তিষ্কে ডোপামিন নামের হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়। ডোপামিন আমাদের ‘উদ্যমের রাসায়নিক’, যা কাজের প্রতি আগ্রহ ও আনন্দ জাগায়।
২) *দুআ মানসিক শক্তি জোগায়*: যারা সকালবেলা প্রার্থনা বা ধ্যান করেন, তাদের মনোযোগ ও কার্যক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি থাকে।
৩) *আল্লাহর ওপর নির্ভরতা মানসিক চাপ কমায়* : দুআ করার সময় মানুষ যখন নিজের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তখন তার মধ্যে এক ধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘সেলফ-এফিক্যাসি’, যা অলসতা ও হতাশা কাটাতে সহায়তা করে।
*দুআ করার পদ্ধতি* প্রত্যেক নামাজে আমরা সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত করি। উক্ত সূরায় মহামহিম আল্লাহর কাছে কিভাবে চাইতে হয় এর উপমা প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া রাসূল সাঃ আমাদেরকে কিভাবে দুআ করতে হয় তা শিখিয়েছেন। তিনি দুআ করতেন-
হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কাপুরুষতা ও বার্ধক্য থেকে, কৃপণতা থেকে। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই কবরের আজাব থেকে এবং জীবিত ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭২২)
*দুআ কবুলের বিশেষ সময় ও স্থান*
*রাতের শেষ তৃতীয়াংশ: রাতের শেষভাগে যখন মানুষ গভীর ঘুমে থাকে, তখন দুআ কবুলের বিশেষ সময়।
*জুমার দিবস: জুমার দিনের আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।
*আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়: আজান হওয়ার পর থেকে জামাত শুরুর আগ পর্যন্ত সময়ে দোয়া করা।
*সেজদার সময়: যখন বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী থাকে, তখন সেজদারত অবস্থায় দোয়া করা।
*রোজাদারের ইফতারের সময়: রোজা শেষে ইফতারের মুহূর্তে দোয়া কবুল হয়।
*কদরের রাত: রমজান মাসের লাইলাতুল কদরের রাতে দোয়া কবুল হয়।
*আরাফাতের দিন: জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাতের ময়দানে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়।
*বৃষ্টির সময়: যখন বৃষ্টি হয়, তখন দোয়া করা।
*যুদ্ধের ময়দানে: যখন যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে মুজাহিদরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ায়, তখন দুআ কবুল হয়।
দুআ কবুলের এখতিয়ার আল্লাহর তবে আমরা তাঁর কাছে দুআর মাধ্যমে চাইতেই থাকব। তিনি আমাদের দুআ কবুলের পূর্বশর্ত শিরকমুক্ত পবিত্র জীবন দান করুন।
