নিউমার্কেটের তিনটি দোকান সাবেক বিএনপি নেতা মকবুলের পেটে
স্টাফ রিপোর্টার:সমবায় অধিদপ্তর সমবায় সমিতির নিবন্ধন, তদারকি, আইনগত পরামর্শ প্রদান এবং সমবায়ীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কথা। কিন্তু সমবায় অধিদপ্তরের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুদীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনামলের ধারাবহিকতায় কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনই একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা সমবায় অধিদপ্তরের অতিরিক্ত নিবন্ধক (প্রশাসন, মাসউ ও ফাইন্যান্স) মো. নবীরুল ইসলামের নাম উঠেএসেছে। ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তরে যোগদানকারী এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাকরিতে প্রবেশের শুরু থেকেই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সমবায় অধিদপ্তরে যোগদান করলেও তার পিতা মো.সহিদুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা ছিলেননা। দুদকের তদন্তে তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ২০০২ সালের ১৫ জুন সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও পরবর্তীতে ভিন্ন প্রভাব খাটিয়ে তিনি দায় মুক্তি লাভ করেন এবং আশ্চর্যজন হলেও সত্য যে তিনি বর্তমানে অতিরিক্ত নিবন্ধক হিসাবে পদোন্নতি পেয়েছেন। অথচ পদোন্নতি তো দূরের কথা তিনি চাকুরীতে থাকারই কথা নয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের আত্মীয় পরিচয় ব্যবহার করেন বীরুল ইসলাম বদলিবাণিজ্য, পদোন্নতি বাণিজ্য, ঘুষ গ্রহণ, লাইসেন্স সিন্ডিকেটসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সরকারের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে অতিরিক্ত নিবন্ধক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, দুর্নীতিদমন কমিশনসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তথ্য থাকাসত্ত্বেও ব্যবস্থানা না নেওয়ায় সৎ কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অন্তর্ভূক্ত সমবায় সমিতি সমূহের প্রতি বিরূপ আচরণ, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত প্রশাসনিক সহযোগিতা না করা, জটিলতা নিরসণের স্থলে জটিলতা সৃষ্টি ও দীর্ঘায়িত করা, সমিতির মালিকানাধীন সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সহযোগিতা না করে অবৈধ দখলদারদের সাথে যোগসাজশে দখল দীর্ঘায়িত করার মাধ্যমে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল ও আর্থিকভাবে লাভবার হবার অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া সমবায় অধিদপ্তরের অন্তর্ভূক্ত নিবন্ধিত সমবায় সমিতি সমূহের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, অডিট নিষ্পত্তিতে গড়িমসি, বহিরাগত ও সমিতির সহায় সম্পত্তি অবৈধ দখলে রাখা বহিরাগত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহিত যোগসাজশে আর্থিকভাবে লাভবান ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা রক্ষার অভিযোগ উঠেছে। এই সিন্ডিকেট শিল্প সমবায় সমিতি গুলোর স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক ভূমিকার বিপরীতে বহিরাগত দখলদারদের স্বার্থ রক্ষায় অধিক সচেষ্ট রয়েছেন বলে জানা গেছে। জুলাই-২৪ এর রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও এসব অসাধু কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে আছে এবং বহিরাগত ও অবৈধ দখলদারদের সাথে তাদের গোপন অভিসন্ধি বাস্তবায়নে যৌথ তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তাদের সমবায় বিরোধী কার্যকলাপ ও সমবায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতি ব্যর্থ হওয়ায় শিল্প সমিতিসমূহের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।
অতিরিক্ত নিবন্ধক নবীরুল ইসলামের সার্বিক সহযোগিতায় ধানমন্ডি থানা যুবমহিলালীগ নেত্রী জান্নাত জাহান চামেলী (লুনা হোসেন) ও তার স্বামী নিউ মার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড এর মালিকানাধীন নিউ মার্কেটস্থ ৩টি দোকান অবৈধভাবে দখল করেছে। সমবায় অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মকবুল দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে দোকানগুলো অন্যত্র ভাড়া দিয়ে বিপুল অর্থ উপার্জন করছে। অবৈধ দখলদার মকবুল সরদারের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করায় মিথ্যা মালা দিয়ে হয়রানি ও তাঁকে প্রাণনাশের হুমকী দেয়া হয়েছে এবং মব সৃষ্টির উদ্দেশে শতাধিক সন্ত্রাসীসহ মতিঝিলস্থ কার্যালয়ে বিগত ২৫-০২-২০২৬ইং তারিখে দিনে দুপুরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং সমিতির সভাপতি লিপিকা দাস গুপ্তাকে শারিরীকভাবে নাজেহাল করেছে। দোকান দখল, নির্বাচন বন্ধ করতে অশুভ শক্তির তৎপরতা, কার্য্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর, মবসৃষ্টি-প্রতিটি বিষয়ে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালককে অবহিত করে প্রশাসনিক সহযোগিতা চাওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তারা তাঁর পাশে দাঁড়াননি বরং সমবায় নীতি অনুযায়ী দায়িত্বশীল ইতিবাচক ভূমিকার স্থলে তারা দখলদারের পক্ষে অবস্থান নেয়। মকবুল হোসেন সরদার ও তার স্ত্রীর মব সৃষ্টি, প্রাণনাশের হুমকী ইত্যাদি বিষয়ে মতিঝিল থানায় সাধারণ ডাইরী অন্তর্ভূক্ত করার আবেদন করা হলেও অজ্ঞাত কারণে তা গ্রহণ করা হয়নি। এবিষয়েও সমবায় অধিদপ্তরে সাহায্য চাওয়া হয় অথচ মকবুলের স্বার্থ নষ্ট হতে পারে বিধায় তারা এগিয়ে আসেননি। উক্ত বিষয়ে তিনি পরবর্তীতে নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের করেন যা তদন্তাধীন আছে। একটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের প্রতি সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের এহেন বিরূপ আচরণে ক্ষুদ্ধ বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি লিপিকা দাস গুপ্তা নিরুপায় হয়ে সুবিচারের আশায় অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। বর্তমানে তিনি মকবুল হোসেন সরদারের হুমকী-ধামকীতে প্রাণনাশের শঙ্কায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে- বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর মালিকানাধীন ঢাকা নিউমার্কেটস্থ তিনটি দোকান বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন সরদার তার স্ত্রী যুবমহিলালীগ নেত্রী জান্নাত জাহান চামেলী (লুনা হোসেন) এর নামে একটি জাল ভাড়াটিয়া দলিল সৃজন করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে রেখেছে। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে স্ত্রী গুণে দোকানগুলোর দখলদারিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল এবং ফ্যাসিস্ট পতনের পর বিএনপির দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে নিউ মার্কেট এলাকায় একক দখলদারিত্ব কায়েম করেছে। মকবুল হোসেন সরদার ও তার স্ত্রী লুনা হোসেন এর যৌথ চাঁদাবাজি, জাল জালিয়াতি, দোকান ও সম্পত্তি দখল ইত্যাদি বিষয়ে গণমাধ্যমে বহু সংবাদ প্রচার হলেও এরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
নিবন্ধিত সমবায় সমিতির নির্বাচন একটি চলমান প্রক্রিয়া ও সমবায় অধিদপ্তর বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচনের পক্ষে ছিলনা। বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি নির্বাচন কমিটি গঠণের জন্য সমবায় অধিদপ্তরে আবেদন করলে নিবন্ধক ও মহাপরিচালক নির্বাচন কমিটি অনুমোদন করেন। সেই মোতাবেক চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশপূর্বক নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা ও মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছিল। বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমিতি লিঃ এর কার্যালয়ে যখন মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছিল ঠিক সেই দিন (২৫-০২-২০২৬) নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে মকবুল হোসেন সরদার প্রায় শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সমেত কার্যালয়ে হামলা করে সভাপতিকে একটি কক্ষে আটক রেখে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সমিতির সভাপতিকে শারিরীকভাবে নাজেহাল ও প্রাণনাশের হুমকী দেয় এবং যাবার সময় মূল্যবান নথিপত্র ও নগদ অর্থ লুট করে সমিতির কার্যালয় তালাবদ্ধ করে বলে “আজ থেকে আমিই সমিতির সভাপতি, তুই আর এই অফিসে আসবিনা”। উক্ত ঘটনার পর তাদের সাজানো ছকের মত নির্বাচন কমিটির প্রধান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নির্বাচনের পরিবেশ না থাকায় নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে জানান। তবে তিনি নির্বাচন করার জন্য যে ধরণের পদক্ষেপ নেয়া দরকার ছিল অথবা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে পারতেন তা নেননি। মকবুল হোসেন সরদারের সাথে গোপন যোগসাজশে এমনটি করা হয়েছে বলে সমিতির সভাপতি দাবী করেছেন। কারণ প্রথম থেকেই অধিদপ্তর তাকে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অসহযোগিতা করে আসছিল।
সমবায় সমিতি বিধিমালা ২০০৪ এর ২৬(১) অনুযায়ী মাননীয় নিবন্ধক ও মহাপরিচালক ১৯-০১-২০২৬ইং তারিখে বরাবর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নিয়োগের অনুরোধ জানিয়ে পত্র প্রদান করার পর বারংবার যোগাযোগ করা হলেও সমবায় অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোন প্রকার ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ফরম-ক মোতাবেক তথ্য প্রাপ্তির আবেদন করা হয়| সেই মোতাবেক সমবায় অধিদপ্তরের মাননীয় নিবন্ধক ও মহাপরিচালক পত্র স্মারক নং: ৪৭.৬১.০০০০.০৩৪.৩৫.০৮৬.১২.১৮ তারিখ ০৯-০২-২০২৬ইং ¯^াক্ষরিত পত্রে ০৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এবং ২৫-০৩-২০২৬ইং তারিখে ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন| ২৫-০২-২০২৬ইং তারিখে তফশিল অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মনোনয়ন বিক্রি করেন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন| মনোনয়ন ফরম বিতরণ অবস্থায় ঐদিন সমিতির কার্যালয়ে উপরোক্ত হামলা ও মব সৃষ্টির ঘটনাটি ঘটে| অবৈধ দখলদার মকবুল হোসেনের স্বার্থ রক্ষায় বিগত ১২-০৩-২০২৬ইং তারিখে সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠণের আদেশ প্রদান করেন| উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন| মহামান্য আদালত আমাদের আবেদন যুক্তিগ্রাহ্য হওয়ায় ০৬ (ছয়) মাসের জন্য স্থগিতাদেশ প্রদান করেন|
বিগত ২৬-০২-২০২৬ইং তারিখে সমবায় সমিতির বিধিমালা, ২০০৪(সংশোধিত ২০২০) এর ২৬(৪) অনুযায়ী নির্বাচন কমিটির শূণ্যপদ পূরণের আবেদন করা হয়| বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচন অনুষ্ঠানে সমবায় সমিতির বিধিমালা, ২০০৪(সংশোধিত ২০২০) এর ২৬(৪) অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির মধ্য হতে ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠণের মাধ্যমে ২৫-০৩-২০২৬ইং তারিখে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয় এবং পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভার কার্যবিবরণী সমবায় অধিদপ্তরে প্রেরণ করা হলেও মকবুল হোসেন সরদার দখল চিরস্থায়ী করতে অন্য আরেক নাটকের সৃষ্টি করে| বিগত ১৮ মে, ২০২৬ তারিখে তিনি সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রীট পিটিশনে(নং ৬৪৬০) নিজেকে সভাপতি হিসাবে দাবী করেছেন| বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিঃ এর নির্বাচিত সভাপতি লিপিকা দাস গুপ্তা উক্ত রীটের বিষয়ে দাবী করেছেন- নির্বাচনের তফশিল, ভোটার তালিকা, ’সংশোধিত (পূণ:গঠিত) নির্বাচন কমিটি/শূণ্যপদ পূরণকৃত নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটি (০৯-০২-২০২৬)’ ইত্যাদি নথিতে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে এবং তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেসব নথি সংশ্লিষ্ট উচচ আদালতে পেশ করেছেন সেসব সর্বৈব জাল অনুরূপ নকল। এসব উপস্থাপন করে মহামান্য আদালতের সম্মুখে মকবুল হোসেন সরদার জালিয়াতির ইতিহাসেরবিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন| অনুসন্ধানে জানা গেছে- অতিরিক্ত নিবন্ধক (প্রশাসন, মাসউ ও ফাইন্যান্স) মো. নবীরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন সমবায় অধিদপ্তর পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের অংশ বর্তমানে মকবুল হোসেন সরদার ও তাঁর স্ত্রী যুবমহিলালীগ নেত্রী জান্নাত জাহান চামেলী (লুনা হোসেন) নিয়ন্ত্রনাধীন ও তার অপকর্মের সহযোগী হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় শিল্প সমবায় সমিতি লিমিটেড এর অবৈধ দখলে থাকা সম্পত্তি চিরস্থায়ীভাবে ভোগ দখল রাখার উদ্দেশে এই সিন্ডিকেট তাদের সকল অপকর্মের সহায়ক হিসাবে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এছাড়া, সমিতির নির্বাচিত সভাপতিকে অপসারণ করে নিজেকে অবৈধভাবে সভাপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি এবং সভাপতির স্বাক্ষর জাল করার ঘটনার সাথে তাদের যোগসূত্রতা রয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসর এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কবল থেকে সমবায় অধিদপ্তরকে উদ্ধারে মন্ত্রণালয়সহ সকল মহলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস জরুরী।