মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ডকুমেন্টারিতে বাদ পড়েছে শহীদ আবু সাঈদ
৫ই আগস্টের উপরে গণ-অভ্যর্থন নিয়ে ডকুমেন্টারি তৈরি করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ডকুমেন্টারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এক দফা তিনি ঘোষণা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। বাদ পড়ে শহীদ আবু সাঈদ নাহিদ ইসলামসহ গণ-অভ্যর্থনের ছাত্র জনতা। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখানো হয় ডকুমেন্টারি, ডকুমেন্টারি দেখে অনুষ্ঠানের থাকা অতিথীরা অভিযোগ করলে হট্টগোল বেধে যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বিদেশি মেহমানরা তাৎক্ষণিক উঠে চলে যায় এরপরই মাননীয় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বক্তৃতা শুরু করেন। তিনি
নিজের জেদ ধরে রাখতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তিনি বলেন আবু সাঈদ’এর নাম ছবি ডকুমেন্টারিতে কিছুই নাই।
৫ই আগস্ট নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রচারিত ডকুমেন্টারিতে এক দফার ঘোষক হিসেবে নাহিদ ইসলামকে বাদ দিয়ে শুধু মাত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলে ধরা হয়েছে। এনসিপি নেতাকর্মী ও বীর জুলাই যোদ্ধাদের চরম অপমানিত করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও ডকুমেন্টারি নির্মাতাদের এই মূর্খতার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মাননীয় রাষ্ট্রপতি মেজর হাফিজ স্পষ্ট বলেছেন এটি তাদের একটি মারাত্মক এবং ইচ্ছাকৃত ভুল।
জুলাই আন্দোলনের অমর প্রতীক ‘আবু সাঈদের’ ছবি ছাড়া কোনো ডকুমেন্টারি তৈরি হওয়াটা শহীদের রক্তের সাথে চরম বেঈমানি। জুলাই এর সমন্বয়ক থেকে শুরু করে আবু সাঈদ’কে পর্যন্ত বাদ দেয়া হলো, এটা জাতি কিভাবে মেনে নিবে?
মেজর হাফিজ অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে আরও বলেছেন, যেখানে ‘আবু সাঈদের’ ছবি নেই, সেটা কোনোভাবেই ডকুমেন্টারি হতে পারে না!
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, ভুল আমাদের হতেই পারে, তাই বলে এমন ভুল? সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ভুলের দ্রুত সংশোধন করতে হবে। তা নাহলে জাতির সাথে বেঈমানী করা হবে।
এদিকে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যর্থনের দ্বিতীয় বছর পালন করার একদিন বাকি থাকা অবস্থায় ছাত্রদল যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মিলে হামলা করে ছাত্রশিবিরের উপরে। পিটিয়ে আহত করে অনেক ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীকে মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আবারও সেখানে পিটিয়ে আহত করে। বাদ পড়েনি পথচারী চিকিৎসা নিতে আসা অনেককেই আহত হয়।