ফলের বাজারে স্বস্তি নেই, ডাবের দাম ২২০ টাকা

বাজারে দেশি-বিদেশি প্রায় সব ধরনের ফলের দাম বেড়েছে। ডাব থেকে শুরু করে আপেল, নাশপাতি, মাল্টা, কমলা, পেঁপে ও কলাসহ বিভিন্ন ফল বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দামও বেড়েছে। ফলে পুষ্টিকর ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১২০, ১৫০ ও ১৯০ টাকা দরে। বড় আকারের ডাবের দাম উঠেছে ২২০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

শুধু ডাব নয়, বিদেশি ফলের দামও বেশ চড়া। তালতলা মার্কেটে সবুজ আপেল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, নাশপাতি ৩০০, মাল্টা ২৮০ এবং কমলা ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রাঙামাটির পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, টাঙ্গাইলের বড় সাগরকলা ১৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের কলা ১২০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা রুবেল হাসান বলেন, বাজারে ফলের দাম কিছুটা বেড়েছে। ডাবের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো মানের ডাবের দামও বেশি। বিদেশি ফলও আগের তুলনায় বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও ফলের দামে যুক্ত হচ্ছে।

বাড়তি দামের কারণে ফল কিনতে এসে হিসাব করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তালতলা মার্কেটের ক্রেতা রাকিব বলেন, আগে যে পরিমাণ ফল কিনতেন, এখন একই টাকায় তার চেয়ে কম নিতে হচ্ছে। পছন্দের ভালো ডাব ২০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন। পরিবারের প্রয়োজনেই কিনতে হচ্ছে, তবে দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে।

বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও দামে স্বস্তি ফিরছে না। বিশেষ করে ডাবের মতো চাহিদাসম্পন্ন ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গরমের সময়ে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়ছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ফল বা ডাব কিনতে হয়—এমন পরিবারগুলোকে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজারে ফলের সরবরাহ থাকলেও বাড়তি দামে স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা।

আরো