নোয়াখালীতে বিভিন্ন থানার সাঁড়াশি অভিযানে কিশোর গ্যাং সদস্য আটক ১৭০
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ১৭০ সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
রবিবার (৪ অক্টোবর) নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ৩ অক্টোবর এ অভিযান চালানো হয়।
আটককৃত ১৭০ জনের মধ্যে সুনির্দিষ্ট অপরাধে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ জনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ১৬ জনকে (বেগমগঞ্জে ১০ ও হাতিয়ায় ৬) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিল এবং সোনাইমুড়ী থানায় ৬ জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এছাড়া বাকি ১৫২ জনকে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে হাতিয়া থানায় সর্বমোট ৪৯ জন (সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২, ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন ৬ এবং মুচলেকায় ৪১ জন)।
বেগমগঞ্জ মডেল থানায় সর্বমোট ৩২ জন (৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন ৪ এবং মুচলেকায় ২৮ জন)।
চরজব্বর থানায় ৩২ জন (সবাইকে মুচলেকায়)।
কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন (সবাইকে মুচলেকায়)। সোনাইমুড়ী থানায় সর্বমোট ১৮ জন (নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার ৬ এবং মুচলেকায় ১২ জন)। কবিরহাট থানায় ৯ জন (সবাইকে মুচলেকায়)। চাটখিল থানায় ৬ জন (সবাইকে মুচলেকায়)। সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন (সবাইকে মুচলেকায়)। সেনবাগ থানায় ৩ জন (সবাইকে মুচলেকায়)।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত এই অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
