প্রশাসক নিয়োগ:আটাবের পরিচালনা পর্ষদ বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক : অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদ বাতিল ঘোষণা করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পুনর্গঠিত আটাবে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোতাকাব্বীর আহমেদকে।
সোমবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আটাবের বর্তমান কমিটি অবৈধ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নিষেধ সত্ত্বেও আটাবের বর্তমান কমিটি ‘আটাব অনলাইন’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক শেয়ার হোল্ডারদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহাসচিবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারের জন্য মানববন্ধন হয়েছে।
এসব কারণে আটাব সংস্কার পরিষদ কর্তৃক অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে প্রশাসক নিয়োগের আবেদন পাওয়া গেছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নতুন প্রশাসক আগামী ১২০ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের অন্যতম অনলাইন টিকিট বুকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট এক্সপার্ট হঠাৎ করেই তাদের অফিসিয়াল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিমানের টিকিট বুকিংয়ের নামে প্রায় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মক্কা হজ এজেন্সি গ্রুপের চেয়ারম্যান এমএ রশিদ শাহ সম্রাট। যার সহযোগী হিসেবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বিমান টিকেট বিক্রেতা এজেন্সি মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) বর্তমান সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ’র বিরুদ্ধে।
এছাড়া, সম্প্রতি দেশে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার মাধ্যমে নতুন সরকারকে ব্যর্থ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল ফ্যাসিস্ট পরাজিত শক্তি। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজধানী ঢাকা দখলের চেষ্টা করছেন পতিত আওয়ামী লীগ। এই পরিকল্পনাকে সামনে রেখে বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক সংস্থার দেয়া তথ্য মতে, প্রশিক্ষণ নেওয়া গেরিলা বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছে। সার্বিক পরিকল্পণার অর্থদাতা হিসেবে কাজ করেছে বিমান টিকেট বিক্রেতা এজেন্সি মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) বর্তমান কমিটি।