ঢাবি ক্যাম্পাসে ৮–৯টি ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় আট থেকে নয়টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর এ ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করেছেন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত লোকজন। আটক করে তাদের শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনেও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, সংঘবদ্ধভাবে আট থেকে নয়টা ককটেল ফোটানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেটে, বাংলাদেশ কুয়েত–মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের মাঝখানের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টা থেকে পৌনে সাতটার মধ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, সন্ধ্যায় টিএসসি এলাকায় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় তাদের আটক করা হয়। এ সময় উপস্থিত লোকজন তাদের মারধর করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পরে আরও একজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)। তাদের মধ্যে রেজাউলের বাড়ি নাটোর জেলায়, সোহেলের বাড়ি রাজশাহীতে এবং নাজমুস সাদের বাড়ি গোপালগঞ্জে।

আরো