এবাদত কবুল না হওয়া এবং একটি হাদিসের কথা:
মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া,খাগড়াছড়ি
যে অহংকারী,সেই ইবলিশ।যার ভিতর মোহ/লোভ আছে,সেই খান্নাস।যার অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয় সেই শয়তান।যে অতিরিক্ত সম্পদ জমা করে,সেই মুরদুদ।এদের এবাদত এবং যারা হারামখোর তাদের এবাদত, কখনোই কবুল হয় না।এছাড়া
একবার হযরত ইব্রাহিম (আ)কে বসরার মানুষ জিজ্ঞেসা করে ছিল কেন তাদের এবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না?উত্তরে তিনি বলেছিলেন:
১.আল্লাহকে স্বীকার করো কিন্তু তার হক আদায় করো না।
২.আল্লাহর বাণী তেলাওয়াত করো কিন্তু তার আলোকে চল না।
৩.রাসুলের উম্মত দাবি করো, কিন্তু রাসুলের “জীবন দৃষ্টান্ত” অনুসরণ করো না।
৪.মরনের পর বেহেস্ত আশা করো কিন্তু তৎমতে জীবন পরিচালিত করো না।
৫.দোজখ হতে বাঁচতে চাও কিন্তু সে হিসেবে জীবনযাপন কর না।
৬.পরচর্চা করো কিন্তু নিজের চর্চা করো না।
৭.আল্লাহর নেয়ামত খাও কিন্তু আল্লাহর নেয়ামতের শোকর আদায় করো না।
তাই তোমাদের কোন এবাদতই আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না।
মহানবী(সা:)একবার বলেছিলেন হে মানুষ!
১.বার্ধক্য আসার আগে, যৌবনকে কাজে লাগাও।
২.দুর্যোগ দুর্বিপাক আসার আগে সমৃদ্ধ কে কাজে লাগাও।
৩.কাজের চাপ বাড়ার আগে সময়কে কাজে লাগাও।
৪.অসুস্থ হওয়ার আগে স্বাস্থ্যকে কাজে লাগাও।
৫.শেষ নিঃশেষ ত্যাগ করার আগে জীবনকে কাজে লাগাও।
বর্ণনা:আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:)তিরমিজি।
