যখনই তুমি কিছু অর্জন করতে চাও,চোখ খুলে রাখো

যখনই তুমি কিছু অর্জন করতে চাও,চোখ খুলে রাখো-
মনোযোগী হও এবং নিশ্চিত হও যে, তুমি কি চাও?চোখ বন্ধ রেখে কেউ লক্ষ্যভেদ করতে পারেনা।
লিও টলেস্টয় বলেছিলেন, “বিশ্বকে বদলাতে চাও তাহলে প্রথমে নিজেকে বদলাও”।
মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন,”তুমি নিজেই সে পরিবর্তন হও,যা তুমি বিশ্বকে দেখাতে চাও।
সক্রেটিস বলেছিলেন,শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো মানুষকে নৈতিকতা ও আত্ম বিকাশ নিশ্চিত করা।
নিজের দোষ লুকিয়ে অন্যের বদনাম করার জন্মগত স্বভাব তোমার কাছে যেন না থাকে।
পৃথিবীতে একমাত্র স্বার্থপর প্রাণী মানুষেই, যে নিজেকে ভালো রাখার জন্য অন্যকে কষ্ট দিয়ে যায়।মানুষকে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার জন্য যে অধিকারগুলো দরকার। তাই মানবাধিকার।মানবাধিকার বিকাশের মাঝেই বাংলাদেশের সৃষ্ট,মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্থিতি এবং প্রকৃত মানবাধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ও প্রগতি।
এ বিশ্বে স্থায়ী বলতে কিছুই নাই, এমনকি আমাদের সমস্যা গুলো নয়। স্বার্থের লোভে যারা রূপ বদলায়,তারা কখনো মানুষের ভালো-মন্দ/লাভ ক্ষতি উপলব্ধি করতে পারে না ;তারা শুধু জানে সবকিছুর উদ্দেশ্য তাদের স্বার্থ।
আমার ব্যক্তিগত লোভী কতিপয় আত্মীয় কখনো সম্পর্কের মর্যাদা দিতে জানে নাই; তারা লাভ দেখলেই সম্পর্কের পরিবর্তন করে ফেলত।আমি হয়তো এক সময় অজ্ঞতা হেতু দুঃখ পেতাম এখন দুঃখ পাই না,বরং হাসি।
জীবনে বেশি মানুষের প্রয়োজন নাই।স্বার্থ ছাড়া যে ভালোবাসে, প্রয়োজন ছাড়া যে খোঁজ নেয়, এমন সব মানুষ ছাড়া,অন্য মানুষ জীবনে অনেক ক্ষেত্রে বিড়ম্বনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
যেকোনো গন্তব্যে পৌঁছতে হলে- কেবল প্রাসঙ্গিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে শেষ দৃশ্য বর্তমানে দেখার চেষ্টা করুন।
অস্থিরতা পূর্ণ বিরামহীন আকাঙ্খার পিছনে ছুটার চেয়ে শান্ত,স্থির ও মধ্যমানের জীবন মানুষকে অনেক বেশি সুখও শান্তি দিতে পারে।
প্রতিযোগিতার নাম জীবন নয়, সহযোগিতার নামই জীবন।
শুধু ধৈর্য রাখতে হবে, সময় ও সুযোগ একদিন আসবেই।ধৈর্য মানুষকে ঠকায় না বরং উত্তম সময় শ্রেষ্ঠ উপহার দেয়।
শিয়াল অনেক বেশি চালাক হওয়া সত্ত্বেও মানুষ কিন্তু কুকুর পোষে,
কারণ জীবনে চালাকের চেয়ে বিশ্বস্ততা অনেক বেশি প্রয়োজন।
দক্ষতা তৈরি হয় অভিজ্ঞতা থেকে,আর অভিজ্ঞতা আসে ব্যর্থতা থেকে,তাই ব্যর্থতা খারাপ কিছুই নয়।ধরুন ব্যর্থতাই সাফল্যের প্রাথমিক সোপান।
সাফল্যের শিক্ষাগুলো দিয়ে বিপত্তি ঝেড়ে ফেলে দিলে- সাফল্যই আপনার প্রাপ্তি।ব্যর্থতা নয়।
অন্যকে সাহায্যের মাঝেই সম্পদের প্রকৃত মূল্য নিহিত।অনেকের কাছে জীবনে প্রচুর টাকা কামানোই সফলতার একমাত্র নির্দেশক।ধন দৌলত হয়তো আপনার জীবনের চাহিদা হতে পারে।কিন্তু চূড়ান্ত লক্ষ্য বানিয়ে ফেললে সেই জীবন আর জীবন থাকে না।
সেদিন এক ধনকুব ব্যাংকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা রেখে মারা যায়।ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী স্বামীর মৃত্যুর পর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন।সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বললেন;
হায়! এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের কাজ করছি। এখন দেখি- মালিক আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছে।জীবনের চরম সত্য হচ্ছে-
১.দামি এবং সুবিধাসম্পন্ন অনেক মোবাইল ফোনের প্রায় ৭০% অ-ব্যবহৃরিত থেকে যায়।
২.একটি মূল্যবান এবং দ্রুত গতি সম্পন্ন গাড়ির ৭০% গতির কোন দরকারই হয় না।
৩.প্রাসাদতুল মহামূল্যবান অট্টালিকা অনেক ক্ষেত্রে ৭০%অংশের কেউ বসবাসের প্রয়োজনই হয় না।
৪.কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশিরভাগ কোনদিন হয়তো পরাই হয়ে উঠে না।
৫.আপনার সারা জীবনের পরিশ্রম লব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য।
আপনার জমানো বৈধ/অবৈধ অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন,তারা বছরে হয়তো আপনার জন্য একবার প্রার্থনা করার সময়ও তাদের হয়ে উঠবে না।
এমতাবস্থায় আপনার করণীয় কি? আপনি কি অর্জন করতে চান?
নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত।অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা নয়,মানুষকে ক্ষমা করে দিন।
পৃথিবীতে পোশাক বিহীন এসেছিলে হে গালিব!
একটি কাফনের জন্য এত লম্বা সফর করলে!

আরো