‘আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন: শহীদ জিয়ার অনমনীয় ভূমিকা’

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম

শেখ মুজিবের দুঃশাসনে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে তখন চরম বিশৃঙ্খলা চলছিল। সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে মানুষের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ব্যবস্থা নেই, বিপর্যস্ত অর্থনীতি। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বাকশাল কায়েম রাজনৈতিক অধিকারের মূলে কুঠারাঘাত করেছিল। এমনি অবস্থায় শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর দেশে চরম অস্থিরতা বিরাজমান। সেই অবস্থার উত্তরণে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মানুষের সামনে মুক্তির দিশা হয়ে পাদ প্রদীপের আলোয় আবির্ভূত হন জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফিরে পায় বহুদলীয় গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিপথ।
অপচয়প্রবণ, দুর্নীতিপরায়ণ, লুটেরা অর্থনীতিতে প্রেসিডেন্ট জিয়া বেসরকারি ব্যক্তি উদ্যোগ উৎসাহিত করেন, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে গ্রহণ করেন যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি বিশ্বাস করতেন, সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত এবং সামগ্রিক দিক থেকে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে একটি নির্দিষ্ট বলয়ে আবদ্ধ রেখে বৈদেশিক সম্পর্ক স্থাপন করলে উন্নত এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়া সম্ভব নয়। সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়-এই পররাষ্ট্র নীতির ফলে বাংলাদেশ থেকে বহির্বিশ্বের পরিমন্ডল ও মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক ভূমিকা রাখার সূযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং নিজেদের শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি বন্ধুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিতেও জিয়াউর রহমান নিঃসন্দেহে চমক দেখিয়েছেন।
তবে একটি সদ্য স্বাধীন ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে তিনি আধিপত্যবাদী অপশক্তির রোষানলে পড়ে অকালে প্রাণ হারান। দেশ গড়ায় শহীদ জিয়ার ১৯ দফা, আধিপত্য বাদ বিরোধী লড়াই, মুসলিম জাতিসত্ত্বার বিকাশ ও জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই তাঁকে অমরত্ব দান করেছে। নতুন প্রজন্ম ও অনুসারীরা শহীদ জিয়ার মহান আত্মত্যাগ ও আদর্শকে কতটুকু ধারণ করতে পেরেছে, বর্তমান সময়ের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেটা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সংশয় দেখা যাচ্ছে। শহীদ জিয়ার পররাষ্ট্র নীতি সম্যক ধারণা পেতে ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বরে ভারত সফরে সংঘটিত একটি ঘটনা উল্লেখ করছি- তিনি বৃহৎ রাষ্ট্র ভারতীয় নেতৃবৃন্দের চোখে চোখ রেখে যেকথা বলেছিলেন সেকথার অনুরণন বর্তমান সময়েও জরুরী:
*“বাংলাদেশ দখল করার আগেই ভারতের ৬টি বড় শহর মাটির নিচে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে”* -একথাটি কোনো উগ্র বক্তব্য নয়, এটি ছিল একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের আত্মসম্মান ও প্রতিরোধের দৃঢ় ঘোষণা।
১৯৭৭ সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফরের দ্বিতীয় দিন। ৭০ বছর বয়সী ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম ৪১ বছর বয়সী তরুন প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন।
বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই দিন—প্রেসিডেন্ট জিয়াকে যে উচ্চমাত্রার সম্মান ও রাষ্ট্রীয় প্রটোকল দেওয়া হচ্ছিল, তা অনেক ভারতীয় সিনিয়র নেতার জন্যই ছিল অস্বস্তিকর।
৮১ বছরের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই, ৬৬ বছরের রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, ৫৪ বছরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী—বাহ্যত নীরব থাকলেও তরুণ প্রেসিডেন্টের প্রতি দেখানো সম্মানে সবাই মনে মনে ক্ষুব্ধ ছিলেন। তদুপুরি ১৯৭৭ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত ‘বাংলাদেশ–ভারত পানিবণ্টন চুক্তি’ ছিল কূটনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন—যেখানে বাংলাদেশ সুস্পষ্টভাবে কৌশলগত ও কূটনৈতিক জয় লাভ করে। এই সাফল্য অনেকের অস্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
এই প্রেক্ষাপটেই সৌজন্য সাক্ষাৎকে উপেক্ষা করে সকল প্রটোকল ভেঙে জগজীবন রাম প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন—
“Did you ever compare the population and military power of Bangladesh and India?”
প্রেসিডেন্ট জিয়ার উত্তর ছিল সংক্ষিপ্ত ও আত্মবিশ্বাসী—
“Yes, I do.”
তাচ্ছিল্যের সুরে আবার প্রশ্ন আসে—
“Then have you calculated how much time India would need to grab your whole country?”
প্রেসিডেন্ট জিয়া সানগ্লাসের ফাঁক দিয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি মেলে তাকিয়ে মাথা সোজা করে বলেন—
“But you must be careful. Before any seizure, our boys will destroy six main cities of India into ruins. And don’t forget—we defeated India in 1965.”
এই জবাবে মুহূর্তেই পরিস্থিতি বদলে যায়।
জগজীবন রাম আর কোনো কথা না বলে সোফা ছেড়ে উঠে দ্রুত বেরিয়ে যেতে থাকেন। তৎক্ষণাৎ আমাদের সাহসী প্রেসিডেন্ট ব্যঙ্গাত্মক হাসিতে বলে ওঠেন—
“Won’t you ask which six cities we’d destroy?”
জগজীবন রামের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব জগৎ সিং মেহতা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভা*র*তীয় হাইকমিশনার কেপিএস মেনন—দুজনই অভিজ্ঞ কূটনীতিক।
রামের আচরণে তারাও হতবিহ্বল হয়ে পড়েন এবং ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইকে অবহিত করেন।প্রেসিডেন্ট জিয়ার পাশে তখন উপস্থিত ছিলেন— পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল হক,
পানি বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা বি. এম. আব্বাস,
পররাষ্ট্র সচিব তবারক হোসেন, এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার শামসুর রহমান খান।
তাঁরা সবাই মুহূর্তটির গুরুত্ব বুঝে স্তম্ভিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েন।কিন্তু রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান ছিলেন অটল ও আত্মবিশ্বাসী।তিনি ইশারায় সবাইকে বসতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই কূটনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজপেয়ী উপস্থিত হয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মনোভাব জানতে চান। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অত্যন্ত স্বাভাবিক কণ্ঠে বলেন—
*“তেমন কিছুই হয়নি। মনে হলো মিস্টার রাম আমার সঙ্গে ফান করেছেন, আমিও ফান করেই উত্তর দিয়েছি।”*
এই ছিল শহীদ জিয়াউর রহমান— যিনি একদিকে বজ্রকঠিন সাহস দেখাতে জানতেন, অন্যদিকে কূটনৈতিক সংযম ও রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য বজায় রাখতেও পারতেন।
বাংলার রাখাল রাজা খ্যাত স্বনির্ভর বাংলাদেশের প্রবক্তা শহীদ জিয়া শুধু স্বাধীনতার মহান ঘোষক নন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় আত্মবিশ্বাস ও ঐক্যমত্যের প্রতীক। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা আমাদের জাতীয় আকাঙ্খা ও অগ্রগতির প্রতীক। সেই ১৯ দফা সম্পর্কেও ব্যাপক গবেষণা ও জনমনে
আগ্রহ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। মনে রাখা দরকার-দেশ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতার চেয়ার ছেড়ে দেশের কাদামাটিতে নেমে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন রাজনীতিকে তিনি রাজনীতিবিদদের জন্য কঠিন করবেন। আসলে তিনি রাজনীতিবিদদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন। তিনি ক্ষমতার চেয়ার থেকে নেমে জনগণের কল্যাণে রাজনীতিবিদদের কাজ করতে উৎসাহিত করেছেন। জিয়াউর রহমান জনগণের কাতারে এসে মাইলের পর মাইল পথ হেঁটেছেন। মানুষের কষ্টের কথা শুনেছেন। সমস্যার সমাধানে কাজ করেছেন। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের উৎপাদন বাড়ানোর অংশ হিসেবে তিনি নিজে খাল খনন কর্মসূচিতে মাটি কেটেছেন। এসবের মধ্যদিয়ে তিনি সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জনগণের মনে অবস্থান তৈরি করেছেন।তিনি বুঝতে পেরেছিলেন- একটি প্রতিষ্ঠিত আদর্শকে কখনো ধ্বংস করা যায়না এবং যেকোন আদর্শকে উত্তম আদর্শ দিয়েই রিপ্লেস করতে হয়।
*জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা: আধিপত্যবাদের বিপরীতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা*
স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে তখন চরম বিশৃঙ্খলা। মানুষের খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ব্যবস্থা নেই, অর্থনীতিরও ভঙ্গুর অবস্থা। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বাকশাল কায়েম রাজনৈতিক অধিকারের মূলে করেছে কুঠারাঘাত। এসবের মধ্যে শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর দেশে তালগোল অবস্থা। সেই অবস্থার উত্তরণে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের মানুষের সামনে মুক্তির দিশা হয়ে ওঠেন জিয়াউর রহমান। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফিরে পায় বহুদলীয় গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ।
বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক ও তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে আবারও প্রাণ ফেরানোর লড়াইয়ে নামেন তিনি। ১৯৭৬ সালে কলম্বোতে জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন সম্মেলনে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ সাত জাতি গ্রুপের চেয়ারম্যান পদে পদোন্নতি লাভ করেন। সে বছরেই তিনি উলশি যদুনাথপুর থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন উদ্বোধন করেন।
১৯৭৭ সালের ২২ এপ্রিল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়ে জাতির উদ্দেশে বেতার ও টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে গণভোটের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ ধারাবাহিকতায় ৩০ এপ্রিল ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। বিএনপি বা যেকোনো রাজনৈতিক দল যদি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে, তাহলে জাতীয় জীবনের বেশিরভাগ সমস্য সমাধান হওয়া সম্ভব।
জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচী:
১. সর্বোতভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
২. শাসনতন্ত্রের চারটি মূলনীতি অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের সমাজতন্ত্র জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে প্রতিফলন করা।
৩. সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্বনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা।
৪. প্রশাসনের সর্বস্তরে, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে জনসাধারণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
৫. সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।
৬. দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা এবং কেউ যেন অভুক্ত না থাকে তার ব্যবস্থা করা।
৭. দেশে কাপড়ের উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোটা কাপড় সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৮. কোনো নাগরিক গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা।
৯. দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।
১০. সকল দেশবাসীর জন্য ন্যূনতম চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা।
১১. সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতষ্ঠা করা এবং যুব সমাজকে সুসংহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
১২. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ দান।
১৩. শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১৪. সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তিতে উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।
১৫. জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ করা।
১৬. সকল বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করা।
১৭. প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা।
১৮. দুর্নীতিমুক্ত ন্যায়-নীতিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।
১৯. ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ণ সংরক্ষণ করা এবং জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুদৃঢ় করা।

শহীদ জিয়ার তাঁর ৯০তম জন্মদিনে গর্বের সঙ্গে বলতেই হয়—
এমন নেতা নিয়ে গর্ব করতে পারে প্রতিটি বাংলাদেশি।
প্রশ্ন একটাই—
তাঁর সূযোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে আমরা কি তাঁর মরণজয়ী ইতিহাস ও আদর্শ মনে রেখেছি নাকি সময়ের প্রয়োজনে রাজনৈতিক কারণে শুধুমাত্র তাঁর সুনাম, খ্যাতি ও যশ ব্যবহার করছি ?
* লেখক: মানবাধিকার কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

আরো