হ্যাঁ ভোটের পরিবর্তে না ভোট, ভুল বোঝানো হচ্ছে সাধারণ মানুষকে

দেশের বড় একটি দল প্রকাশ্যে বলছে না ভোট দেবার জন্য, সাধারণ মানুষদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। তবে মনে হয় আগামীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার তৈরি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা দেশের মানুষ হ্যাঁ ভোট দিলে পরিবর্তনটা কি লক্ষ্য করব? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই বারের বেশি থাকতে পারবে না, এবং সে দলীয় প্রধান হতে পারবেনা।

বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না আর্মি পুলিশ চাইলেই ফ্যাসিবাদ হতে পারবেনা, মাননীয় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানো। চাইলেই কোন সংসদ সদস্য দুর্নীতি করতে পারবেনা হ্যাঁ মানি জবাবদিহিতা।

জুলাই আন্দোলন কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ পরিবর্তনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সকল দলকে সাথে নিয়ে তৈরি করেছেন হ্যা ভোট না ভোট। এবং এই হ্যা ভোটের সুবিধা আসলে কি?

১ নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে দুই আগামী সংসদ হবে।

২ পক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের অনুমোদন দরকার হবে।

৩ সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও জাতীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্থানীয় সরকার সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০ টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত্য হয়েছি সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।

৪ জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

আরো